Home /News /kolkata /

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রাইমারি ট্রেনড টিচার (PRT), ট্রেনড গ্র্যাজুয়েট টিচার (TGT) এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার (PGT), এই তিন পদে আর্মি পাবলিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে ৷ .ট্রেনড গ্র্যাজুয়েট টিচার (TGT) পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে যে বিষয়ে পড়াবেন সেই বিষয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতক পাশ করতে হবে ৷ সঙ্গে থাকতে হবে B.Ed-এও ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর ৷ন .পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার (PGT) পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে যে বিষয়ে পড়াবেন সেই বিষয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতকোত্তর পাশ করতে হবে ৷ সঙ্গে থাকতে হবে B.Ed-এও ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর ৷ .প্রাইমারি ট্রেনড টিচার (PRT) পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে যে বিষয়ে পড়াবেন সেই বিষয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতক পাশ করতে হবে ৷ সঙ্গে থাকতে হবে B.Ed ডিগ্রি অথবা দুবছরের ডিপ্লোমা ৷

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রাইমারি ট্রেনড টিচার (PRT), ট্রেনড গ্র্যাজুয়েট টিচার (TGT) এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার (PGT), এই তিন পদে আর্মি পাবলিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে ৷ .ট্রেনড গ্র্যাজুয়েট টিচার (TGT) পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে যে বিষয়ে পড়াবেন সেই বিষয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতক পাশ করতে হবে ৷ সঙ্গে থাকতে হবে B.Ed-এও ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর ৷ন .পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার (PGT) পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে যে বিষয়ে পড়াবেন সেই বিষয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতকোত্তর পাশ করতে হবে ৷ সঙ্গে থাকতে হবে B.Ed-এও ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর ৷ .প্রাইমারি ট্রেনড টিচার (PRT) পদে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীকে যে বিষয়ে পড়াবেন সেই বিষয়ে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতক পাশ করতে হবে ৷ সঙ্গে থাকতে হবে B.Ed ডিগ্রি অথবা দুবছরের ডিপ্লোমা ৷

ন্যূনতম ৫০ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মীদের স্কুলে আসতে হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: আগামী ১ অগাস্ট থেকে একাদশ শ্রেণিতে স্কুলগুলিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। কিন্তু সেই ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে প্রত্যেকটি স্কুলে কতজন করে শিক্ষক-শিক্ষিকা আসবেন তা নিয়ে স্কুল গুলোর মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিল। অবশেষে সেই জল্পনায় জল ঢেলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মঙ্গলবার নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল। নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ন্যূনতম ৫০ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মীদের স্কুলে আসতে হবে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে প্রত্যেকটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকারা একটি রোস্টার তৈরি করবেন। সেই রোস্টার অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকারা এবং অশিক্ষক কর্মীদের স্কুলে আসবেন ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন।

আগামী ১  অগাস্ট থেকে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত স্কুলের নিজস্ব ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি প্রক্রিয়া হবে। তারপর ১১ ই জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত অন্যান্য স্কুল থেকে আসার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়া করবে স্কুল গুলি। কিভাবে স্কুলগুলি ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করবে সে নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই জারি করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মেধার ভিত্তিতে স্কুল গুলিকে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি নিতে হবে। তবে কিভাবে স্কুলগুলি ভর্তি প্রক্রিয়া করবে অর্থাৎ কত শতাংশ নম্বর পেলে সায়েন্স, কমার্স, আর্টসের মত বিভাগগুলোতে ছাত্রছাত্রীরা সুযোগ পাবেন সেক্ষেত্রে স্কুলগুলির ওপরই দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে কোনও ছাত্রছাত্রীর ভর্তি হতে কোন সমস্যা হলে বা স্কুল কর্তৃপক্ষের ভর্তি নিয়ে কোন তথ্য যাচাই এর প্রয়োজনীয়তা তৈরি হলে তারা সংশ্লিষ্ট জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক এর থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন বা ব্যাখ্যা নিতে পারেন। তবে স্কুল গুলিকে ভর্তি প্রক্রিয়া অবশ্যই করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করতে হবে। গত সপ্তাহেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দেশিকা জারির পর মঙ্গলবার শিক্ষক-শিক্ষিকারা আসবেন নাকি সেই বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করে আবারও এক দফা নির্দেশিকা জারি করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন সব সময় স্কুলে ন্যূনতম ৫০% শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতি রাখতে হবে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে মঙ্গলবারই  এরকম নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হয়েছে। তবে একদিকে যেখানেই করোনা সংক্রমন ক্রমশই বাড়ছে সেই সময় বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা কিভাবে পৌঁছাবেন তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তুলছে শিক্ষক মহলের একাংশ। যদিও মঙ্গলবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফের জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই স্কুলে আসতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। ইতিমধ্যেই স্কুল গুলিকে স্যানিটাইজ করা হয়েছে মাধ্যমিকের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য। বলতো ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর আগেও স্কুল গুলিকে যথাযথভাবে স্যানিটাইজ করার কথাও মৌখিকভাবে স্কুল জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক স্কুলগুলিতে নির্দেশ দেবেন বলে স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর।

Somraj Bandopadhyay

Published by:Elina Datta
First published:

পরবর্তী খবর