কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

এক কাপ চায়ের দাম ১০০০ টাকা! কলকাতার ফুটপাতেই বিক্রি হচ্ছে বিশ্বের নামীদামী ‘বিশেষ’ চা

এক কাপ চায়ের দাম ১০০০ টাকা! কলকাতার ফুটপাতেই বিক্রি হচ্ছে বিশ্বের নামীদামী ‘বিশেষ’ চা

১৪ হাজার টাকা থেকে কেজিতে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দামেরও চা রয়েছে কলকাতার এই দোকানে ৷ বিশ্বের প্রথম সারির অনেক চায়ের স্বাদ মিলবে এই দোকানের কাপে ৷ করোনার জেরে বিদেশ ভ্রমণ না হলেও চায়ের কাপে বিশ্ব দর্শন হয়ে যাবে এই দোকানে এলেই..

  • Share this:

#কলকাতা: এক কাপ চায়ের দাম ১০০০  টাকা। না কোনও স্টার হোটেলে নয়। আপনি চাইলে ফুটপাতে বসে খেতে পারেন এই মহার্ঘ চা।  মুকুন্দপুরে ফুটপাতের ওপর বিক্রি হচ্ছে সারা পৃথিবীর নামী দামি সব চা।

জাপানের সিলভার নিডেল হোয়াইট টি বা আফ্রিকান ক্যারামেল, নাইজেরিয়ার রেড ওয়াইন টি কিংবা অস্ট্রেলিয়ার ল্যাভেন্ডার  মত ভূবন মোহিনী চা, তাও আবার ফুটপাতের চায়ের দোকানে। চাকরি ছেড়ে নিজের চায়ের শখ কে কাজে লাগিয়ে সারা পৃথিবীর প্রায় ১১৫ রকমের চা নিয়ে দোকান খুলেছেন পার্থপ্রতিম গঙ্গোপাধ্যায়। কি কি রকমের চা আছে পার্থবাবুর ভান্ডারে?

1) সিলভার নিডেল হোয়াইট টি, দাম দু লক্ষ আশি হাজার টাকা প্রতি কেজি

2) ক্যামোমাইল টি, ১৪ হাজার টাকা প্রতি কেজি থেকে শুরু

3) হিবিসকাস টি, দাম সাড়ে সাত হাজার টাকা প্রতি কেজি থেকে শুরু

3) ইয়ারবা টি (yearba tea) দাম ১৪ থেকে ২৬০০০ টাকার মধ্যে।

4) রূবাস টি, দাম কুড়ি হাজার টাকা প্রতি কেজি।

5)ওকায়তি(okyati) টি দাম ৩২ হাজার টাকা প্রতি কেজি থেকে শুরু।

5) বোলে টি দাম ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ৩২ লাখ টাকা প্রতি কেজি পর্যন্ত হয়।

6) ল্যাভেন্ডার টি, দাম ১৬০০০ টাকা প্রতি কেজি থেকে শুরু করে।

7) বাই মুদান টি, দাম প্রায় ২০০০০ টাকা প্রতি কেজি।

8) মাতে(mate tea) দাম ১৪ থেকে কুড়ি হাজার টাকা।

এছাড়াও আছে চকলেট টি, হোয়াইট টি, মকাইবাড়ি টি, ব্লু টি সহ বহু রকমের চা। এক কথায় বলা যেতে চায়ের বিশ্ব দর্শন।

কিন্তু ফুটপাতের এই মহার্ঘ চা খেতে করাই বা আসেন ?পার্থপ্রতিম গঙ্গোপাধ্যায় দাবি, 'আমার দোকানে ১০০০ জনের মধ্যে ১০০ জন আসবে। যারা প্রথম বার আসবেন তারা আবার ফিরে আসবেন শুধুমাত্র চায়ের স্বাদ নিতে।' কিন্তু সর্বোচ্চ কত দামে এক কাপ চা বিক্রি করেছেন পার্থ বাবু জানলে একটু অবাক হতেই হয়। তিনি বলেন, 'আমি সিলভার নিডেল হোয়াইট টি রাখি। সেটাই সর্বোচ্চ ১০০০ টাকায় এক কাপ বিক্রি করেছি।'

পার্থবাবুর দোকানের কাছেই একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন সুদীপ পাল। কাজের ফাঁকে দিনে অন্তত একবার খেতে আসেন ফ্লেভার টি। তিনি বলেন, 'আমরা নিয়মিত এখানে আছি। অনেক রকমের চা রয়েছে, কিন্তু মকাইবাড়ি চা-টাই আমি খাই।'

পার্থবাবুর দোকানে নিয়মিত ফোন করে  বহু মানুষ আসেন চা খেতে। অনেকেই আবার সঙ্গে করে এইসব বিশ্বসেরা মূল্যবান চা বাড়িতে বানিয়ে খাওয়ার জন্যে নিয়েও যান ।

Soujan Mondal

Published by: Elina Datta
First published: September 29, 2020, 8:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर