প্রয়াত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা

অনুগামীদের প্রার্থনা ও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ ৷ প্রয়াত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷

অনুগামীদের প্রার্থনা ও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ ৷ প্রয়াত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #চেন্নাই: অনুগামীদের প্রার্থনা ও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ ৷ প্রয়াত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷ চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে জীবনাবসান হয় তাঁর ৷ বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর ৷ ‘আম্মা’-র মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে গোটা তামিলনাড়ু ৷

    রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷ চেন্নাইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আম্মাকে ৷ কার্ডিওলজিস্ট, পালমোনোলজিস্ট ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি মেডিকেল টিমের পর্যবেক্ষণে ছিলেন আম্মা ৷ কৃত্রিমভাবে হৃদপিণ্ড চালানোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তামিলনাড়ুর দ্বিতীয় মহিলা মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷ রাজনীতির একটি বর্ণময় অধ্যায়ের যবনিকা পতন হল এদিন ৷

    সূত্রের খবর, জয়া টিভিতে জয়ললিতার মৃত্যুর খবর প্রথম সম্প্রচারিত হওয়ার পর  চেন্নাইয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায় ৷ নেত্রীর মৃত্যুতে AIADMK কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে  ৷ দলীয় সূত্রে খবর,  সম্ভবত পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পনিরসেলভন ৷

    ১৯৪৮-এ মহীশূরের মেলুকোটে ২৪ ফেব্রুয়ারি জন্ম হয় জয়ললিতার ৷ প্রথম জীবনে ছিলেন চলচ্চিত্রের নায়িকা ৷ নায়ক-রাজনীতিক এম জি রামচন্দ্রণের ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি ৷ তাঁর হাত ধরেই রাজনীতিতে অভিষেক তামিলনাড়ুর প্রিয় আম্মার ৷

    ১৯৮২-তে AIADMK দলে যোগ দেন জয়ললিতা ৷ ১৯৮৪ সালে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন ৷ রামচন্দ্রণের মৃত্যুর পরে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু তাঁর পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী হন রামচন্দ্রণের স্ত্রী ৷

    জয়ললিতা বিরোধী দলনেতা হন ১৯৮৯ সালে ৷ এরপরই লক্ষ্যভেদ, ১৯৯১ সালে প্রথম বার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী  হন জয়ললিতা ৷ তিনিই ছিলেন তামিলনাড়ুর দ্বিতীয় মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ৷ এরপর ফের মুখ্যমন্ত্রী পদ পান ২০০১ সালে ৷ কিন্তু পরে ২০০১ সালে ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ছাড়তে হয় মুখ্যমন্ত্রীর পদ ৷

    ২০০৩-এ জয়ললিতা ফের ফেরেন মুখ্যমন্ত্রিত্বে ৷ ২০১১ সালে তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন জনতার আম্মা ও AIADMK নেত্রী ৷

    ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সালে দুর্নীতির দায়ে ৪ বছরের জেল হয় জয়ললিতার ৷ খোয়ান মুখ্যমন্ত্রী পদও ৷ একমাসের মধ্যেই ২৭ অক্টোবর, ’১৪-জামিন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট ৷ এরপর ১১ মে, ’১৫-সাজা মকুব করে কর্ণাটক হাইকোর্ট ৷ আদালতের নির্দেশে ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হন ‘আম্মা’ ৷ ১১ মে, ২০১৫-মুখ্যমন্ত্রিত্বে ফেরেন জয়ললিতা ৷ পরে ২০১৬ সালে চতুর্থ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন জনতার আম্মা ৷

     

    First published: