১লা ফ্রেব্রুয়ারী থেকে পুরোপুরি বন্ধ টালা ব্রিজ, কোন পথে হবে গাড়ি চলাচল নিশ্চিত না

১লা ফ্রেব্রুয়ারী থেকে পুরোপুরি বন্ধ টালা ব্রিজ, কোন পথে হবে গাড়ি চলাচল নিশ্চিত না
পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে টালা ব্রিজ

বিকল্প রুটে কোন পথ দিয়ে গাড়ি চলবে তা ঠিক করতে সোমবার বৈঠকে বসছে রাজ্য পরিবহন দফতরের সচিব, পুলিশ ও পরিবহন সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা

  • Share this:

#কলকাতা: আগামী শনিবার থেকে পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে টালা ব্রিজ। বিকল্প রুটে কোন পথ দিয়ে গাড়ি চলবে তা ঠিক করতে সোমবার বৈঠকে বসছে রাজ্য পরিবহন দফতরের সচিব, পুলিশ ও পরিবহন সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা। উত্তর কলকাতা ও তার লাগোয়া শহরতলি এলাকায় যানজটের আশংকায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই পরিকল্পনা সেরে ফেলতে চায় প্রশাসনের আধিকারিকরা। টালা ব্রিজ দিয়ে বাস,মিনিবাস ও ভারী গাড়ির চলাচল বন্ধ গত অক্টোবর মাস থেকেই। ছোট গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল সম্পূর্ণ ভাবে। যদিও গতি নিয়ন্ত্রণ করে ছোট গাড়ি চলাচল করছিল। এবার থেকে সেই গাড়ি চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে গাড়ির চাপ সামাল দিতে বিকল্প কয়েকটি রাস্তা প্রাথমিকভাবে তৈরি করে ফেলেছে পুলিশ। এছাড়া টালা সেতুর পাশ দিয়ে পথচারীদের যাতায়াত করার জন্য তৈরি করা হচ্ছে একটি ফুট ওভার ব্রিজ। টালা সেতু থেকে ১০০ মিটার দুরের সেই ফুট ওভার ব্রিজ তৈরির যাবতীয় খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার। এছাড়া শনিবার থেকেই শুরু হয়ে গেছে, চিৎপুরে লেভেল ক্রসিং তৈরি করার কাজ। এখান দিয়েই চলাচল করবে পণ্যবাহী লরি। ফলে চিৎপুর রেল কারশেডে আসা যাওয়ায় কোনও অসুবিধা হবে না। আগামী ১৪ ফ্রেব্রুয়ারীর মধ্যে লেভেল ক্রসিং গেট তৈরি হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে রেল। তবে দু'ধারের রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করতে চাইছে পি ডব্লু ডি। রাস্তা তৈরি করতে আনুমানিক খরচ ১৪ কোটি টাকা। আর লেভেল ক্রসিং বানাতে খরচ হবে ৪ কোটি টাকা। এছাড়া সেতু ভাঙার জন্য রেলকে রাজ্য দেবে আরও ৩০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে রাজ্য রেলকে দিতে চলেছে ৩৪ কোটি টাকা।

বিকল্প যে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে, তাতে ডানলপের দিক থেকে কলকাতায় আসা গাড়ি খগেন চ্যাটার্জি রোড থেকে চিৎপুর রোড, চিড়িয়ামোড় হয়ে দমদম রোড থেকে পাইকপাড়া হয়ে ইন্দ্র বিশ্বাস রোড থেকে টালা পাক হয়ে শ্যামবাজারের দিকে আসবে। চিৎপুর লকগেট উড়ালপুল দিয়ে দু'দিকেই ছোট গাড়ি চলাচল করবে। আর লকগেট উড়ালপুল দিয়ে ডানলপের দিকে গাড়ি চলতে পারবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য পরিবহন দফতর ফ্লেক্স, ব্যনার তৈরি করে ফেলেছে। সোমবার বৈঠক করে বিকল্প রাস্তার কথা জানিয়ে দেওয়া হবে। যদিও বাস সংগঠনের দাবি, তাদের ভাড়া পুনঃবিন্যাস করতে হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে ঘুর পথে বা বিকল্প পথে গাড়ি চলাচলের জন্য। তবে আগামী সোমবার থেকে উত্তরের বাসিন্দাদের হাতে সময় নিয়েই বেরোতে বলছেন পুলিশ ও পরিবহন দফতরের আধিকারিকরা।

ABIR GHOSHAL

First published: January 26, 2020, 1:38 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर