corona virus btn
corona virus btn
Loading

টালার জন্য বদল হচ্ছে লকগেট উড়ালপুলের সময়, বাস না চালানোর হুমকি সংগঠনের

টালার জন্য বদল হচ্ছে লকগেট উড়ালপুলের সময়, বাস না চালানোর হুমকি সংগঠনের
টালা ব্রিজ

পরিবহণ সংগঠনগুলিকে জানানো হয়েছে, লকগেট উড়ালপুল গাড়ির অভিমুখ বদল হবে।

  • Share this:
#কলকাতা: টালা সেতু ভাঙার কাজ চলছে। আর ঘন ঘন বদলে যাচ্ছে শ্যামবাজার থেকে ডানলপের মধ্যে বাস চলাচলের রুট। যার জেরে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন বাস মালিক, শ্রমিক এবং যাত্রীরা। পরিবহণ সংগঠনগুলিকে জানানো হয়েছে, লকগেট উড়ালপুল গাড়ির অভিমুখ বদল হবে। গাড়ি চলাচলের সংখ্যা বাড়ানো হবে চিৎপুর লেভেল ক্রসিং দিয়ে। নতুন বছরের প্রথম মাস থেকেই ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে টালা ব্রিজের। রাজ্য পুর্ত দফতর সূত্রে খবর আগামী মে মাসের মধ্যেই সেতু ভাঙার কাজ শেষ হতে চলেছে। ফলে টালা ব্রিজে বন্ধ হয়ে আছে বড় ও ছোট গাড়িও। সেতুর ওপর দিয়ে বন্ধ আছে অটো চলাচলও। এই বিপুল সংখ্যক গাড়ির চাপ এসে পড়েছে বেলগাছিয়া সেতু, লকগেট উড়ালপুল ও চিৎপুর পুরানো ব্রিজের ওপর। আপাতত এই পথে যানজট কমাতে আবার নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বাস সংগঠন সূত্রে খবর, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা শ্যামবাজারের দিক থেকে ডানলপের দিকে বাস যাবে রেল লেভেল ক্রসিং দিয়ে। চিৎপুর ব্রিজ দিয়ে যাবে ছোট গাড়ি। লকগেট ফ্লাইওভার দিয়ে ডানলপের দিক থেকে শ্যামবাজার দিকে ছোট বড় গাড়ি আসবে। দুপুর ১টা থেকে রাত ১২টা বাস আর ছোট গাড়ি লকগেট উড়ালসেতু ধরে ডানলপের দিকে যাবে। পণ্যবাহী গাড়ি রেল ক্রসিং দিয়ে গংগার পাড় ধরে বিবির বাজার দিয়ে বি টি রোডে যাবে। ছোট গাড়ি আর বাস ডানলপের দিক থেকে চিতপুর ব্রিজ আর বেলগাছিয়া ব্রিজ ধরে শ্যামবাজারের দিকে আসবে টালা সেতু ভাঙার যাবতীয় কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।
ইতিমধ্যেই সেতুর ফুটপাথের রেলিং খোলার কাজ শেষ করে দিয়েছে পুর্ত দফতর। আপাতত স্থির হয়েছে সেতুর দুদিকের এপ্রোচ রোডের অংশ দ্রুত ভাঙা হবে। আনুমানিক ২ কোটি টাকা খরচ হবে এটি ভাঙতে। পুজোর আগে থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বড় গাড়ি চলাচল। বিশেষজ্ঞ সংস্থা রাইটসের প্রস্তাব ছিল কোনও গাড়ি চলাচল করতে দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু পুজোর সময় যানজটের আশঙ্কায় ছোট গাড়ি চলাচল করার অনুমতি দেওয়া হয়। বড় গাড়ি বিশেষ করে বাস চলাচলের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও একাধিক বাস অ্যাসোসিয়েশন বাসের রুট বদল নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। মাঝে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় একাধিক রুট। যদিও পুলিশ ও পরিবহণ দফতরের চাপাচাপিতে বেসরকারি বাস চলছে। পরে এই সমস্ত রুটের বাসের আসা-যাওয়ার জন্য রাস্তা ঠিক করে দিয়েছিল রাজ্য পরিবহণ দফতর। বেলতলা মোটর ভেহিক্যালস দফতরে নয়া রুট নিয়ে বৈঠকও করেছিল রাজ্য পরিবহণ দফতর ও পুলিশ। ঠিক হয়েছিল কলকাতা থেকে ডানলপগামী উত্তরমুখী বাস এবং ছোট গাড়ি চিৎপুর লকগেট উডালপুল ধরে বি টি রোডের দিকে যাবে। যদিও উডালপুলে গতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় চলবে গাড়ি। ইতিমধ্যেই এই উডালপুলে সারাইয়ের কাজ করেছে পুর্ত দফতর। অন্যদিকে ডানলপের দিক থেকে শ্যামবাজারের দিকে আসা বাস ও ছোট গাড়ি আসবে বেলগাছিয়া সেতু ধরে। এই সেতুতেও প্রাথমিক সারাইয়ের কাজ সেরে ফেলেছে পুর্ত দফতর। গত কয়েকমাসে বাস ঘুরে চলার জন্য সাধারণ যাত্রীদের ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। রুট ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য গন্তব্যে পৌছতে দেরি হচ্ছিল যাত্রীদের। ফলে ভরসা ছিল একমাত্র অটো। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল অটো রুটও ভেঙে ফেলা হবে। সিঁথির দিক থেকে টালা ট্যাঙ্ক পর্যন্ত চলবে কিছু অটো। আবার শ্যামবাজারের দিক থেকে আসা অটো আসতে পারবে ক্যানাল ইস্ট রোডের ক্রসিং অবধি। ফলে এই অংশে কমবে অটোর ভাড়া। লরি চলাচলের জন্যেও তৈরি করা হয়ে গেছে আলাদা রাস্তা। ইতিমধ্যেই লেভেল ক্রসিং তৈরি করা হয়ে গেছে। সেখান দিয়ে গাড়িও চলছে। ঘুরে বাস চলার জন্যে জ্বালানি বেশি পুড়ছে বলে অভিযোগ করছেন বাস মালিকরা। তারা রাজ্যের কাছে এদিনও আবেদন করেছেন ভাড়ার তালিকা পুনবিন্যাস করা হোক। যদিও ভাড়া বৃদ্ধি করতে এখনও রাজি নয় রাজ্য পরিবহণ দফতর। প্রতিদিন নতুন করে রুট বদলে দেওয়ায় বিরক্ত হচ্ছেন যাত্রীরাও। তাদের বক্তব্য কোন বাসে গেলে রাজবল্লভ পাড়া নামতে পারব আর কোন বাসে গেলে আর জি কর নামতে পারব তাই তো বুঝতে পারছিনা। একই অভিযোগ বাস মালিক সংগঠনের। তাদের নেতা প্রদীপ নারায়ণ বোস জানান, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বলে বাস চালাচ্ছি৷ এরকম হলে আর বাস চালাবো না। ABIR GHOSHAL
Published by: Ananya Chakraborty
First published: March 13, 2020, 6:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर