Home /News /kolkata /
‘টেক দ্যাট জেভিয়ার্স’ হ্যাশট্যাগে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, প্রতিবাদ রত্নাবলী রায়ের

‘টেক দ্যাট জেভিয়ার্স’ হ্যাশট্যাগে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, প্রতিবাদ রত্নাবলী রায়ের

St. Xavier's University

St. Xavier's University

ST Xavier's University || মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী রত্নাবলী রায় বুধবার ফেসবুকে এই প্রচার অভিযান শুরু করেন।

  • Share this:

    #কলকাতা: জেভিয়ার্স কাণ্ডের পর সোশ্যাল মিডিয়া ‘টেক দ্যাট জেভিয়ার্স’ হ্যাশট্যাগে উত্তাল৷ মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী রত্নাবলী রায় বুধবার ফেসবুকে এই প্রচার অভিযান শুরু করেন। স্যুইমস্যুট পরা নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘কাঁচকলা। কাঁচকলা। ব্যক্তি শিক্ষকের পোশাক ছাত্রছাত্রীদের কাছে বিড়ম্বনার বিষয় হয় না৷ এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি। যে কর্তৃপক্ষ এই কথা বোঝেন না, তাঁদের শিক্ষার পরিধি বাড়ানো দরকার।’ তাঁর সমর্থনে এসেছেন বহু জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব৷ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তীও নিজের এমন একটি ছবি পোস্ট করেছেন৷

    ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি সাঁতারের পোশাকে ছবি পোস্ট করার জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে কলকাতার জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপককে। সেই ঘটনার কয়েক মাস কেটে গেলেও ভয়ে ভয়ে রয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তিনি এবং কয়েক মাস ধরেই বেকার তিনি। তাঁর আরও দাবি, এই ঘটনা পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও আইনি লড়াই করছেন।

    আরও পড়ুন: প্রবল চাপে পার্থ, দেহরক্ষীর ৭ আত্মীয় এবার সিবিআই-এর সামনে! চাকরিতে মহা-দুর্নীতি?

    আরও পড়ুন: সিদ্ধান্ত নেওয়া শেষ, গড়া হচ্ছে দশটি টিম, রাজ্যে আরও মারাত্মক অভিযানে নামছে ইডি!

    সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অ্যাস্টিস্ট্যান্ট প্রফেসরের বিস্ফোরক অভিযোগ, প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের বাবা তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান, এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। সেন্ট জেভিয়ার্স যদিও এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে,স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছিলেন উক্ত অধ্যাপিকা। আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি ভাইরাল হয়েছে, চিঠিটি লিখেছেন বি কে মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। চিঠির বয়ান বলছে, ' আমার ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকার বিকিনি পরা ছবি দেখছিল। ছবিগুলি অত্যন্ত কুরুচিকর, অশ্লীল,প্রায় নগ্ন বললেই চলে। ছবিগুলিতে শিক্ষিকা যৌন উত্তেজনামূলক পোশাক পরে রয়েছেন। শিক্ষিকার অন্তর্বাস পরা ছবি ছেলে দেখছে, বাবা হিসেবে আমার কাছে ভীষণ লজ্জার এই দৃশ্য। একজন ১৮ বছরের ছেলে তার অধ্যাপিকার স্বল্পাবাসের ছবি দেখছে, তাও আবার প্রকাশ্যে পাবলিক প্ল্যাটফর্মে, এটি অত্যন্ত নিকৃষ্টমাণ ও লজ্জাজনক ঘটনা।''

    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: Protest, Social Media

    পরবর্তী খবর