corona virus btn
corona virus btn
Loading

'বাংলায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের করোনা সংক্রমনকারী বলা হৃদয়বিদারক' ট্যুইটে মমতাকে তোপ ধনখড়ের

'বাংলায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের করোনা সংক্রমনকারী বলা হৃদয়বিদারক' ট্যুইটে মমতাকে তোপ ধনখড়ের

শুক্রবার পরপর তিনটি ট্যুইট করে কার্যত বুঝিয়ে দিলেন পরিযায়ী শ্রমিক ফেরানো নিয়েও এবার তিনি রাজ্যের সঙ্গে কার্যত সংঘাতের জায়গায় যেতে চলেছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: ২৪ ঘণ্টায় ২৮টি ট্রেন৷ হিসসিম খাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন৷ এরমধ্যেই পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মমতাকে খোঁচা দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়৷  তিনি বলেছেন যে ওদের করোনা সংক্রমনকারী হিসেবে চিহ্নিত করে দেওয়া হৃদয় বিদারক৷

পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে এবার বিস্ফোরক রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শুক্রবার ট্যুইট করে রাজ্যকে পরিযায়ী শ্রমিক ফেরানো নিয়ে কড়া ভাষায় কার্যত আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের তরফে কেন পরিযায়ী শ্রমিকদের করোনা সংক্রমণকারী হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে তা নিয়ে এদিন  সরব হন রাজ্যপাল। এদিন রাজ্যপাল ট্যুইট করে বলেন ‘যে পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরে আসছেন তারা আমাদের আপনজন। তারা পেটের দায় রাজ্য ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে বলব ওরা আমাদের সম্পদ, কেউ ফেলনা নয়। আমাদের ছেলেমেয়েরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়ে নিজেদের ঘরে আপনজনের কাছে ফিরতে চাইতেই পারেন। বিশ্বব্যাপী মহামারীর প্রেক্ষাপটে নিজেদের বাড়ি ফিরে আসলে তাদের উষ্ণ আমন্ত্রণ প্রাপ্য। তাদেরকে করোনা সংক্রমণকারী হিসাবে বলা অন্যায়, অত্যন্ত হতাশা ব্যঞ্জক এবং হৃদয়বিদারক। মানবিক মূল্যবোধ অটুট রেখে করোনা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়মাবলী এবং নির্দেশ মেনে চলা যায় এটাই বলব মুখ্যমন্ত্রীকে।’

প্রথম থেকেই রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক ফেরা নিয়ে রাজ্য-কেন্দ্র কার্যত তরজা শুরু হয়। কেন্দ্রের তরফে বারবার অভিযোগ করা হয় যে রাজ্য সরকার এদের ফেরানো নিয়ে আন্তরিক নয়। এমনকি পরিযায়ী শ্রমিক ফেরানো নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কেন্দ্রের তরফে অভিযোগ তোলা হয় অন্যান্য রাজ্য শ্রমিক ফেরানো নিয়ে একাধিক শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন দেওয়ার কথা বললেও এরাজ্যে তরফে সেরকম উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

পরিযায়ী শ্রমিক চর্চা নিয়ে বিরোধীদের তরফে লাগাতার অভিযোগ তোলা হয় শাসকদলের বিরুদ্ধে। যদিও রাজ্যের দাবি একাধিক শ্রমিক স্পেশাল  ইতিমধ্যেই রেলের কাছে চাওয়া হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিক ফেরানো নিয়ে। কিন্তু রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক একের পর এক ফিরলেও তাদের মধ্যে অনেকেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। তা ছড়াচ্ছে এই রোগ, এমনই মনে করা হচ্ছে৷ যা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য প্রশাসনের অন্দরমহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স চলাকালীন এই নিয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়৷ পরিযায়ী শ্রমিক ফেরার পর এ রাজ্যে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা কীভাবে বাড়তে শুরু করেছে, তার সংখ্যাটাই দেখানো হয়। যদিও রাজ্যে একের পর এক শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ফিরছেন। প্রোটোকল মেনে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধির প্রস্তুতিও রাখা হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য। কিন্তু তারপরেও যেভাবে পরিচয় শ্রমিকরা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত রাজ্য প্রশাসন। তারই মধ্যে এবার ময়দানে নামলেন খোদ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

শুক্রবার পরপর তিনটি ট্যুইট করে কার্যত বুঝিয়ে দিলেন পরিযায়ী শ্রমিক ফেরানো নিয়েও এবার তিনি রাজ্যের সঙ্গে কার্যত সংঘাতের জায়গায় যেতে চলেছেন। এদিন ট্যুইট করে পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে করোনা সংক্রমিত হিসেবে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেন চিনি। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে  টুইট করে কার্যত পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরানো নিয়ে কড়া ভাষাতেই আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল।
Published by: Pooja Basu
First published: May 29, 2020, 10:10 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर