কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মাতব্বরি করতে বিজেপিতে আসিনি, দল পতাকা লাগাতে দিলে তাও করতে রাজি: শুভেন্দু

মাতব্বরি করতে বিজেপিতে আসিনি, দল পতাকা লাগাতে দিলে তাও করতে রাজি: শুভেন্দু

অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে সদ্য বিজেপি নেতার ভূমিকায় পুরনো দলের উদ্দেশেই শানালেন আক্রমণ ৷ এবার মুখোমুখি লড়াই। এবার লড়াই রাজনীতির মঞ্চে।

  • Share this:

#পূর্ব মেদিনীপুর: সব পেয়েও আরও চাই ৷ মুখ্যমন্ত্রী-উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার লোভেই ২১-এর কুরুক্ষেত্রের আগে দল ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী ৷ তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কের সুতো ছেঁড়া শুরু হতেই এভাবেই আক্রমণ করা হয় নন্দীগ্রামের নেতাকে ৷ মেদিনীপুরের সভামঞ্চে সরকারিভাবে শাহের সামনে বরণের পরই তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক শুভেন্দু ৷ দিলেন মোক্ষম জবাব ৷

তৃণমূলের অভিযোগ, আরও পাওয়ার লোভেই ২১-এর ভোট যুদ্ধের মাস পাঁচেক আগে দলবদল বাংলার অন্যতম দাপুটে নেতা শুভেন্দুর ৷ সেই অভিযোগের জবাবে মেদিনীপুরের সভামঞ্চ হতে সদ্য বিজেপি শিবিরে অভিষিক্ত শুভেন্দু স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দেন কোনও পদের লোভে বিজেপিতে তিনি আসেননি ৷ এমনকী দলে নতুন এসে বাকিদের উপর ছড়ি ঘোরানোরও কোনও উদ্দেশ্য তাঁর নেই ৷ জেলাস্তরে নেতাদের নাম ধরে ধরে তাঁর আশ্বাস, ‘মাতব্বরি করতে বিজেপিতে আসিনি ৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা আমাকে বুথে বুথে, পাড়ায় পাড়ায় পাবেন ৷ বিজেপিতে কর্মী হিসেবে কাজ করব ৷ দল যা নির্দেশ দেবে, তাই করব ৷ পতাকা লাগাতে বললে দেওয়াল লিখতে বললে তাও রাজি ৷’

এখানেই শেষ নয়, পুরনো দলের জন্য শুভেন্দুর গলায় প্রতি কথায় ফুটে ওঠে উষ্মা ৷ বলেন, ‘অমিত শাহ আমার বড় দাদা ৷ অমিতজির সঙ্গে আমার বহুদিনের সম্পর্ক ৷ কোভিডের সময় অমিত শাহ আমার খোঁজ নেন ৷ অথচ আমার ২১ বছরের পুরনো দল, যাঁদের জন্য এত করেছি, বিয়ে পর্যন্ত করিনি, তাঁরা আমার খোঁজ পর্যন্ত নেননি ৷’

দলনেত্রীর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল দলের উদ্দেশে প্রবল আক্রমণ শানান বিজেপি নেতা শুভেন্দু ৷ বলেন, ‘তৃণমূলে আত্মসম্মান নিয়ে কেউ থাকতে পারে না ৷ আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলছে ৷ আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠে এসেছি ৷ আমি যখন যেখানে থাকি নিষ্ঠার সঙ্গে থাকি ৷ তৃণমূল এবার দ্বিতীয় হবে, প্রথম হবে বিজেপি ৷’

২ ডিসেম্বর বৈঠকের পর সৌগত রায়কে পাঠানো শুভেন্দুর মেসেজেই স্পষ্ট ছিল, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কছেদের শুরু ৷ গেরুয়া পথেই হাঁটতে চলেছেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কাণ্ডারী ৷ তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল তখনই  ৷তারপর যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে দূরত্ব ৷ তৃণমূল বিধায়ক পদে ইস্তফা দিতেই একে একে কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এক সুরে বলেন, উচ্চাশা, উচ্চ পদের লোভে বিজেপিতে গেলেন শুভেন্দু ৷ তাঁর লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রী বা উপমুখ্যমন্ত্রী পদ ৷ তৃণমূল সরকারে দশ বছর ক্ষমতা থেকে সুবিধে, মান সম্মান সব ভোগের পর আরও পাওয়ার লোভেই গেরুয়া শিবিরে যাচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী ৷ সেই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে সদ্য বিজেপি নেতার ভূমিকায় পুরনো দলের উদ্দেশেই শানালেন আক্রমণ ৷ এবার মুখোমুখি লড়াই। এবার লড়াই রাজনীতির মঞ্চে। শুভেন্দু অধিকারী নিজের বক্তব্যে যা বলেছিলেন তাই করে দেখালেন ৷শনিবার, মেদিনীপুরের সভা থেকে শুরু থেকেই তিনি আক্রমণাত্মক।

Published by: Elina Datta
First published: December 19, 2020, 7:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर