'যখন তখন প্রতিশোধ নেবে পুলিশ', এবার রাজ্যপালকে বিস্ফোরক চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর

'যখন তখন প্রতিশোধ নেবে পুলিশ', এবার রাজ্যপালকে বিস্ফোরক চিঠি শুভেন্দু অধিকারীর

হাতে লেখা চিঠিতে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

তাঁর বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে নেমে পড়তে পারে রাজ্য পুলিশও, এই অভিযোগ নিয়েই শুভেন্দুর।

  • Share this:

    #কলকাতা: সারাদিন শিরোনামে শুভেন্দু অধিকারী। আজই বিধানসভায় গিয়ে সচিবের হাতে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যপালকে মারাত্মক আশঙ্কার কথা জানিয়ে চিঠিও দিলেন তিনি। শুভেন্দুর আশঙ্কা, দলত্যাগের সিদ্ধান্তের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে নেমে আসতে পারে প্রতিশোধ। তাঁর বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে নেমে পড়তে পারে রাজ্য পুলিশও, এই অভিযোগ নিয়েই শুভেন্দুর রাজ্যপালের কাছে আর্জি, রাজ্যপাল যেন বিষয়টি দেখেন, প্রয়োজন অনুযায়ী হস্তক্ষেপও করেন।

    শুভেন্দু ওই চিঠিতে লিখেছেন, "কর্তব্যপরায়ণতা ও গণউন্নয়নের কথা মাথায় রেখেই আমি মন্ত্রিত্ব ছেড়েছি। আমার আশঙ্কা আমার এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হতে পারে। আমাকে নানা অপরাধমূলক বিষয়ে জড়িয় ফেলতে পারে রাজ্যের পুলিশ। এই ধরনের পদক্ষেপ গণতন্ত্রের জন্য অশুভ।" শুভেন্দুর দাবি, সেক্ষেত্রে এমন হলে রাজ্যপাল যেন বিষয়টিতে পদক্ষেপ করেন। তাঁর কথায়, "আমি নিশ্চিত আপনার সক্রিয়তাই রাজ্য পুলিশের এই ধরনের অনৈতিক পদক্ষেপ আটকে দেবে।" শুভেন্দুর  অভিযোগের  তির রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।

    এদিন শুভেন্দুর এই চিঠিটি ‌ট্যুইট করেন রাজ্যপাল নিজেই। শুভেন্দু তাঁকে লিখেছন, "২৫ বছর ধরে নি:স্বার্থ জনসেবা করেছি। আপনার হস্তক্ষেপ দাবি করছি যাতে আমার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা প্রযুক্ত না হয়।‌"

    ২১ বছর আগে তৃণমূলের পতাকাতলে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছত্রছায়ায় শুভেন্দু অধিকারীর পথচলা আজ আনুষ্ঠানিকভাবেই থামল বিধানসভায় শুভেন্দু পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ায়। ডিজিটাল চিঠি নয়, নিজের হাতে লেখা চিঠিই জমা করলেন শুভেন্দু।এদিন শুভেন্দু যখন বিধানসভায় পৌঁছন, ততক্ষণে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে গিয়ছেন। তাই তাঁর কাছে চিঠি দিতে পারেননি শুভেন্দু। চিঠি দেন সচিবের হাতে। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ‘শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না।

    সূত্রের খবর, শনিবারই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। তাঁর আগে এই কাতর চিঠি এত নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিল।
    Published by:Arka Deb
    First published: