• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • SUVENDU ADHIKARI WITH DELEGATION OF BJP MLAS WILL MEET GOVERNOR JAGDEEP DHANKHAR SB

Suvendu Adhikari: ভাঙন আটকাতে মুকুল-ঘনিষ্ঠদের ফোন শুভেন্দুর? যাচ্ছেন রাজভবনেও

যুযুধান

Suvendu Adhikari: দলে বেসুরো ও তৃণমূলের দিকে ঝুঁকে থাকা বিধায়ক-নেতাদের সরাসরি ফোন করতে শুরু করেছেন শুভেন্দু, সূত্রের খবর এমনটাই।

  • Share this:

#কলকাতা: জল্পনাকে সত্যি করেই সপুত্র পুরনো ঘর তৃণমূলে ফিরে এসেছেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। আর তারপর থেকেই বিজেপির অন্দরে দলবদলের তীব্র আশঙ্কা মাথাচাড়া দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিজেপির একাধিক নেতা-বিধায়কের মুখে শোনা গিয়েছে, দলের সমালোচনা আর মুকুলের প্রশংসা। দল ভাঙানোয় বরাবর পারদর্শী মুকুলের হাত ধরে কতজন দল ছাড়বেন, সেই হিসেব করতেই ব্যস্ত গেরুয়া শিবির। যদিও এরই মধ্যে যে সমস্ত জনপ্রতিনিধি বিজেপি ছাড়তে চাইছেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বলেছেন, 'মুকুল রায়কে দিয়ে যে পর্ব শুরু হল, তা দলত্যাগ বিরোধী আইন মেনে হয়নি। আমি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলছি, দু’মাস হোক, তিন মাস হোক, বিরোধী দলনেতা হিসেবে বাংলায় এই আইন কার্যকর করেই ছাড়ব আমি।' কিন্তু শুভেন্দুর হুঁশিয়ারিতেও বেসুরোদের সংখ্যা কমছে না। এবার তাই দলে বেসুরো ও তৃণমূলের দিকে ঝুঁকে থাকা বিধায়ক-নেতাদের সরাসরি ফোন করতে শুরু করেছেন শুভেন্দু, সূত্রের খবর এমনটাই।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বেশ কয়েক জন বিধায়ককে ফোন করেন বিজেপি-র সদ্য প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। তালিকায় ছিলেন একজন সাংসদ। সব মিলিয়ে অন্তত ১০ জন বিজেপি বিধায়ককে ফোন করেছেন তিনি। শাসক দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন। সেই খবর চাউড় হতেই আসরে নামতে হয় শুভেন্দুকে। দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রণয়নের কথা মুখে বললেও তাতে যে বিশেষ কাজ হবে না, তা বুঝতে পেরেই মুকুলের পালটা ফোন করে সমস্যা মেটাতে চাইছেন তিনি। সূত্রের খবর, যে সমস্ত বিধায়কদের দলবদল নিয়ে জল্পনা রয়েছে, তাঁদের কাছেই যাচ্ছে শুভেন্দুর ফোন। সকলকেই শুভেন্দু বোঝাতে চাইছেন দলবদল না করতে, জানতে চাইছেন সমস্যা।

এরই মধ্যে ট্যুইট করে এদিন শুভেন্দু জানিয়েছেন সোমবার বিজেপি বিধায়কদের একটি দল নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। বিজেপি বিধায়কদের দলত্যাগ আটকাতে বিধানসভায় যাতে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হয়, সেই কারণে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়কদের প্রতিনিধি দলের ওই কর্মসূচি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, শুভেন্দু ট্যুইটে লিখেছেন, বাংলায় ঘটে চলা অনৈতিক কিছু কাজের বিষয়ে জানাতেই রাজভবনে যাবেন তাঁরা।

মুকুল রায়ের দলবদল নিয়ে শুভেন্দু অবশ্য নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই। তাঁর কথায়, ‘‘মাননীয়া যেটা করছেন, কংগ্রেসের বিধায়ক তৃণমূলের খাতায়, সিপিএমের বিধায়ক তৃণমূলের খাতায়। মাননীয়া, তৃণমূল এবং বাংলার বিধানসভা আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব বিরোধী দলনেতার, আমার। তাই আমি বলে রাখছি, দু’মাস লাগুক, তিন মাস লাগুক, বাংলায় দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করবই আমি।’’ শুভেন্দুকে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়ছে না তৃণমূলও। শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘আগে নিজের বাবাকে এই সব বলুন, তার পর অন্য লোককে জ্ঞান দেবেন।’’

Published by:Suman Biswas
First published: