• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • SUVENDU ADHIKARI WENT TO MEET SPEAKER FOR ABOLITION OF MUKUL ROY MLA POST HE WAS ABSENT AKD 2

Mukul Roy vs Suvendu Adhikari| মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজে মরিয়া শুভেন্দু, আজ ফিরতে হল খালি হাতেই...

মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজে মরিয়া শুভেন্দু অধিকারী।

Mukul Roy vs Suvendu Adhikari| শুভেন্দু অবশ্য নাছোড়। তিনি বলছেন, শেষমেশ হাতে চিঠি না দেওয়া গেলে তিনি স্পিকারকে ই-মেল করবেন। প্রয়োজনে তিনি আদালতের দ্বারস্থও হবেন।

  • Share this:

#কলকাতা: মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করতে বিধানসভায় ছুটলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভরা বর্ষার প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে আজ বৃহস্পতিবার স্পিকারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী। আগেভাগেই ড্রাফট করা হয়েছিল কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় ওই চিঠি রিসিভ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট অফিসের অন্যান্যরাও চিঠি রিসিভ করতে চাননি। ফলে টেকনিক্যাল কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হল না আজ। শুভেন্দু অবশ্য নাছোড়।  তিনি বলছেন, শেষমেশ হাতে চিঠি না দেওয়া গেলে তিনি স্পিকারকে ই-মেল করবেন। প্রয়োজনে তিনি আদালতের দ্বারস্থও হবেন।

বলাই বাহুল্য মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যতটা সরব গোটা বিজেপি ততটা সোচ্চার নয়। বিজেপির তরফ থেকে বরং একটা বড় অংশই এ বিষয়ে ধীরে চলো নিতে নিতে চাইছে। একাধিক কারণও রয়েছে তার। নির্বাচনে ধরাশায়ী বিজেপির পক্ষে এখন হঠাৎ করে উপনির্বাচনে কোমর বেঁধে নামার মতো সাংগঠনিক পরিকাঠামো নেই। তাছাড়া মুকুল রায় আসনটিতে এসেছিলেন সেই কৃ্ষ্ণনগর আসনটিকে অত্যন্ত মূল্যবান বলেই গণ্য করে বিজেপি। এই আসনে নতুন করে লড়াই হলে তা বিজেপির পক্ষে নাও যেতে পারে।

দিন কয়েক আগে প্রকাশ্যেই দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেন, "মুকুল রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি জানেন যে দল ত্যাগ করলে বিধায়ক পদটিও ত্যাগ করা উচিত। আমরা আশা করব উনি নিজেই বিষয় বিবেচনা করবেন।" অর্থাৎ বিষয়টিকে মুকুলের নৈতিকতার দিকেই ঠেলে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। এটা নিয়ে যে জোড়াজুরির রাস্তায় যেতে চায় না বিজেপিস সেটা যেন বুঝিয়ে দিতে চান তিনি। আর তাঁর এই অবস্থান যে দলেরও অবস্থান তাও বোঝাতে ভোলেননি দিলীপ।  পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সুর এখনও পর্যন্ত নরম মনোজ টিজ্ঞার মতো নেতাদেরও।

তাহলে সঙ্গত কারণেই যে প্রশ্নটি আসে তা হল, মুকুলের এই বিধায়ক পদের বিরোধিতায় এত মরিয়া কেন শুভেন্দু অধিকারী! শুভেন্দু বিষয়টিকে যে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তা তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দিল্লি থেকেই। তাছাড়া তৃণমূল যখন শিশির অধিকারীকে নিয়ে টানাটানি করছে মুকুল রায়ের সাংসদ পদের বিষয়টাকে কিছুটা ব্যক্তিগতভাবেও নিয়েছেন, তাই তার এই তৎপরতা। শুভেন্দু এমনও বলছেন, দলভাঙানোর রাজনীতির অবসান চান তিনি। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক মহলের অবশ্য প্রশ্ন, ভোটের আগে শুভেন্দু কেন এই প্রশ্ন করেনি।

Published by:Arka Deb
First published: