• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • SUVENDU ADHIKARI SAID AFTER MUKUL ROYS TMC JOINING WILL ENSURE ANTI DEFECTION LAW GETS IMPLANTED IN WEST BENGAL SB

Suvendu Adhikari on Mukul Roy: শিশির এখনও সাংসদ পদে, মুকুল ঝরতেই দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরের হুমকি শুভেন্দুর!

শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি নিয়েও প্রশ্ন!

Suvendu Adhikari on Mukul Roy: বিধানসভা ভোটে তুমুল পরাজয়ের পর এমনিতেই দলভাঙনের বড় আশঙ্কায় ছিল বিজেপি। আর সেই কারণেই এ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঠিক করতে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ এলে তাঁকেও এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Share this:

    #কলকাতা: জল্পনাকে মান্যতা দিয়েই সপুত্র পুরনো ঘর তৃণমূলে ফিরে এসেছেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। আর তারপর থেকেই বিজেপির অন্দরে দলবদলের তীব্র আশঙ্কা মাথাচাড়া দিয়েছে। দল ভাঙানোয় বরাবর পারদর্শী মুকুল এবার কতজনকে ভাঙিয়ে তৃণমূলে নিয়ে যাবেন, সেই সংখ্যার অনুমান করতেই ব্যস্ত গেরুয়া শিবির। যদিও এরই মধ্যে যে সমস্ত জনপ্রতিনিধি বিজেপি ছাড়তে চাইছেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরে তিনি বলেন, 'মুকুল রায়কে দিয়ে যে পর্ব শুরু হল, তা দলত্যাগ বিরোধী আইন মেনে হয়নি। আমি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলছি, দু’মাস হোক, তিন মাস হোক, বিরোধী দলনেতা হিসেবে বাংলায় এই আইন কার্যকর করেই ছাড়ব আমি।'

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটে তুমুল পরাজয়ের পর এমনিতেই দলভাঙনের বড় আশঙ্কায় ছিল বিজেপি। আর সেই কারণেই এ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঠিক করতে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ এলে তাঁকেও এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু মুকুল রায়কে এত তাড়াতাড়ি হিসেবের মধ্যে ধরা ছিল না গেরুয়া শিবির। তাই মুকুল দল ছাড়তেই বিজেপির বড় অংশে ফাটল ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর তৃণমূলের হাতে তুলে নিলেও এখনও পর্যন্ত মুকুল রায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি বলেই খবর। এমনকী বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ ছাড়তেও কোনও চিঠি দেননি। এ ক্ষেত্রে মুকুলের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অবশ্য বলেন, 'আমরা এমন কিছু ভাবছি না। উনি এক জন বিবেচক মানুষ। কী সিদ্ধান্ত নেন দেখি।' তবে, দলে ভাঙন আটকাতে দিলীপের টোটকা, 'এরা কেউই তো গরু-ছাগল নয় যে, বেঁধে রাখব। মুকুল রায় বিজেপিতে ছিলেন। তাই বিজেপি ছাড়ার পর পূর্বপরিচিতদের ফোন করতেই পারেন। তবে, যাঁরা অরিজনাল বিজেপি, তাঁরা কেউই দল ছাড়বেন না। আর যাঁরা আয়ারাম-গয়ারাম তাঁদের নিয়ে ভাবছি না।' প্রসঙ্গত, তৃণমূলে যোগ দেওয়া ইস্তক বিজেপির বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির কাছে ইতিমধ্যেই মুকুল রায়ের ফোন গিয়েছে বলে খবর। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুকুল রায়ের দলবদল নিয়ে শুভেন্দু অবশ্য নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই। তাঁর কথায়, ‘‘মাননীয়া যেটা করছেন, কংগ্রেসের বিধায়ক তৃণমূলের খাতায়, সিপিএমের বিধায়ক তৃণমূলের খাতায়। মাননীয়া, তৃণমূল এবং বাংলার বিধানসভা আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব বিরোধী দলনেতার, আমার। তাই আমি বলে রাখছি, দু’মাস লাগুক, তিন মাস লাগুক, দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করবই।’’

    তবে শুভেন্দু দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করার হুঁশিয়ারি দিলেও, ভোটের আগে তৃণমূল ভাঙানোর সময় সেই আইনের তোয়াক্কা বিজেপি করেনি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসক দল। এমনকী কাঁথির সাংসদ, শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী এবং পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল বিজেপি-তে যোগ দিলে, দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগও জানিয়েছিল তৃণমূল। যদিও এখনও তা নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেননি অধ্যক্ষ।

    Published by:Suman Biswas
    First published: