হঠাৎ সাক্ষাৎ শুভেন্দু-বাবুল-কুনালের, তুমুল জল্পনার উত্তরে সকলেই বলছেন 'সৌজন্য'

কামালগাজি অঞ্চলে ওই হোটেলের বাইরে কুনাল ঘোষ।

তীব্র বিরোধাভাসের এই বাজারে এই হঠাৎ দেখা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও জল্পনা উড়িয়ে দিচ্ছেন সব পক্ষই। বলা হচ্ছে এ নেহাতই সৌজন্য সাক্ষাৎ।

  • Share this:

    #কলকাতা: হঠাৎ দেখা, তারপর কথা ১৫ মিনিটের। আর তাতেই তুঙ্গে পৌঁছল জল্পনা। কারণ বারুইপুরের হোটেলে মুখোমুখি দেখা হওয়া তিন ব্যক্তির নাম শুভেন্দু অধিকারী, কুনাল ঘোষ এবং বাবুল সুপ্রিয়। তীব্র বিরোধাভাসের এই বাজারে এই হঠাৎ দেখা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও জল্পনা উড়িয়ে দিচ্ছেন সব পক্ষই। বলা হচ্ছে এ নেহাতই সৌজন্য সাক্ষাৎ।

    আসলে এদিন ক্যানিংয়ে তৃণমূলের একটি সভা ছিল। সেই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন কুনাল ঘোষ। একই সময়ে কুলতলি এলাকাতে আরেকটি সভা করেন বাবুল সুপ্রিয়-শুভেন্দু অধিকারীরা। ফিরতি পথেই দেখা হয়ে যায়। সূত্রের খবর, কুনাল কামালগাজি চত্বরে একটি হোটেলে চা খেতে ঢোকার পনেরো মিনিটের মধ্যে ঢোকেন শুভেন্দুর-বাবুলও। সেখানেই তাদের কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয় যাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলছেন সব পক্ষই।

    প্রসঙ্গত গতকাল অভিষেক পত্নী রুজিরাকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর তৃণমূল-শুভেন্দুর তিক্ততা আরও বাড়ার কথা। কুলতলির সভায় রুজিরা প্রসঙ্গ তুলে আনেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, ২০১৪ সালের পর ১০০ কোটি টাকা খরচ করে শান্তিনিকেতন তৈরি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি রুজিরা-অভিষেকের বাড়ি গিয়ে বলেছেন, "ভাইপোর নামটা বলবে না।" অতীতেও বারংবার কয়লা কাণ্ডে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তুলতে দেখা গিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারী। সম্প্রতি তিনি লালা ওরফে বিনয় মিশ্রর ডায়রি থেকে তথ্য সামনে আনারও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন বিভিন্ন জনসভা থেকে।

    এই আবহে শুভেন্দু-বাবুলদের সঙ্গে কুনাল ঘোষের মত তৃণ কমূলের 'ভরসা'-র দেখা হলে তা নিয়ে যে জল্পনা হবেই, তাতে আর সন্দেহ কী! যদিও সাক্ষাতের পিছনে রয়েছে 'সৌজন্য'ই বলছেন ওঁরা।

    Published by:Arka Deb
    First published: