সিএবি-তে সুবীর গঙ্গোপাধ্যায় কি আউট ? নাকি ডিসিশন পেন্ডিং ?

সিএবি-তে সুবীর গঙ্গোপাধ্যায় কি আউট ? নাকি ডিসিশন পেন্ডিং ?
File Picture

জুলাই গড়িয়ে অগাস্ট। হঠাৎ সিএবি আসা বন্ধ করেছেন এক সচিব। সবসময় ঘরে তালা সুবীর গঙ্গোপাধ্যায়ের।

  • Share this:

#কলকাতা: জুলাই গড়িয়ে অগাস্ট। হঠাৎ সিএবি আসা বন্ধ করেছেন এক সচিব। সবসময় ঘরে তালা সুবীর গঙ্গোপাধ্যায়ের। সারা বছর ময়দান করা বাবলুবাবু হঠাৎ গরহাজির কেন ? রহস্যের গন্ধ পেয়েই আবার সিএবিতে হানা দেওয়া হল । কিন্তু সেখানে আরও বড় ধোঁয়াশা। কেউ কিছু বলতে নারাজ। এমনিতেই লোধার বাউন্সারে ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হওয়ার জোগাড় রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার। নিন্দুকদের দাবি, সব সুপারিশ মানতে গেলে ঠগ বাছতে গা উজাড় হয়ে যাবে। একা অভিষেক ডালমিয়া ছাড়া কারোর উইকেটই নিরাপদ নয়।

কিন্তু লোধার সব ফতোয়া মানছে কে ? ফলো-অন বাঁচাতে আগেই সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গেছে সিএবি। নিন্দুকরা বলছেন, অ্যাপিল হয়েছে। কিন্তু এখনও ডিসিশন পেন্ডিং। মানে থার্ড আম্পায়ারের মত। চূড়ান্ত রায়দান না হওয়া অবধি সেফ খেলতে চান যুগ্মসচিব সুবীর। কিন্তু সিএবি-ও তো চালাতে হবে ! নিয়ম মেনে প্রেসিডেন্ট আসছেন। যুগ্মসচিব জুনিয়র ডালমিয়া আসছেন। উঠে যাওয়া সহ-সচিবের চেয়ারে দিব্যি বসছেন অনু দত্ত। ৭০ উর্ধ্বরাও যোগ দিয়েছেন ওয়ার্কিং কমিটিতে।

ব্যতিক্রম সুবীর গঙ্গোপাধ্যায়। ইস্টবেঙ্গল আর ঐক্য কর্তা বরাবরই ময়দানের কাছের এবং কাজের মানুষ। জুলাইয়ে প্রকাশিত সিএবি-র নিমন্ত্রণপত্রে সুবীরের সই ছিল। কিন্তু মাস পড়তেই পত্রিকায় সিএবি-র বিজ্ঞাপনে ভ্যানিশ। লোধা মানতে নিজেই সিএবিতে আসা বন্ধ করেছেন। ২৮ জুলাই ৯ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই রায় না দেখে সিএবি-মুখী হতে নারাজ সুবীর। কিন্তু দরজায় বোর্ড ততদিন অক্ষত থাকবে তো ? এখানেই টুইস্ট। লোধাকে ঢাল করে বিশ্বরূপ দে, অমিয় আঢ্য, বিশ্বনাথ সামন্তদের নেমপ্লেট খুলতে দেরি করেননি অনু-দেবুরা। কিন্তু সুবীরবাবুর বেলায় ততটা প্রো-অ্যাক্টিভ নন সৌরভপন্থীরা। মুখে বলছেন, সুপ্রিম কোর্টই আম্পায়ার। কিন্তু নিন্দুকরা বলছেন, কঠিন পিচ। বল ঘুরছে। তাই বাপি, আগে নিজের উইকেট বাঁচা !

রিপোর্টার: ঈরণ রায় বর্মন

First published: 02:15:24 PM Aug 03, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर