শুভেন্দু-সৌগত দ্বৈরথ, ঠিক কী হয়েছিল সেই রাতের শেষ গোপন বৈঠকে?

শুভেন্দু-সৌগত দ্বৈরথ, ঠিক কী হয়েছিল সেই রাতের শেষ গোপন বৈঠকে?

ফের তরজা শুভেন্দু অধিকারী সৌগত রায়ের বৈঠক নিয়ে।

শুভেন্দু অধিকারী দাবি করছেন, ওই দিন কার্যত তাঁর হাত ধরে বসেছিলেন সৌগত রায়। সেখানেই শুভেন্দু অধিকারীকে দলে রাখার জন্য চলে একাধিকবার বোঝানো।

  • Share this:

#কলকাতা:  শুভেন্দু অধিকারীকে আটকে রাখতে সৌগত রায়কে দায়িত্ব দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও অমিত শাহের সভায় দলবদল করেন শুভেন্দু, মেদিনীপুরের সভা থেকে যোগ দেয় বিজেপিতে। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় আড়াই মাস। হলদি দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। ফের নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে সেই রাতের, যেদিন উত্তর কলকাতার এক বাড়িতে সৌগত রায়, সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ও প্রশান্ত কিশোর কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারীর সাথে মুখোমুখি বসে। শুভেন্দু অধিকারী দাবি করছেন, ওই দিন কার্যত তাঁর হাত ধরে বসেছিলেন সৌগত রায়। সেখানেই শুভেন্দু অধিকারীকে দলে রাখার জন্য চলে একাধিকবার বোঝানো ।

শুভেন্দু অধিকারীর দাবি অনুযায়ী সৌগত রায় সেদিন বলেন, "শুভেন্দু তুমি দল ছেড়ে যেও না। তোমাকে দলের দরকার। তুমি চলে গেলে দল হেরে যাবে।" নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তথা অধুনা বিজেপি নেতার এই দাবি'কে ঘিরে ফের শুরু হয়েছে চর্চা। যদিও শুভেন্দুর এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন সৌগত রায়। তিনি জানিয়েছেন, শুভেন্দু প্রসঙ্গে,  "এটা আমি কিছু গোপনে বলিনি তো , মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে শুভেন্দুকে ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। আমি ওর হাত ধরে বলেছিলাম ।কিন্তু আমি একথা বলিনি যে ,তৃণমূল হেরে যাবে। ও নাবালক ছেলে, উচ্চাভিলাষী। আমি শুভেন্দু এবং অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে ছিলাম।শুভেন্দু সেখানে বলেছিল ,না আমার অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।শুভেন্দু মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সেই মিটিং থেকে টেলিফোনে কথা বলেছিল। পরের দিনই শুভেন্দু নাকচ করে। ওর সঙ্গে বিজেপির একটা আগে থেকে ডিল ছিল। সেই ডিলটা কী সেটা জানিনা। দেনাপাওনা কত সেটা আমার জানা নেই।  ও আমাদের সঙ্গে বসেছিল বিজেপিতে যাবে  স্থির করেই।"

রাজনৈতিক মহলের মতে আসলে শুভেন্দু অধিকারী ভোটের আগে মানসিক ভাবেও আক্রমণ করতে চাইছেন তৃণমূলকে। তিনি যে দলের কাছে অপরিহার্য ছিলেন। দলে তিনি না থাকলে দলের যে সমস্যা হবে সেটা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছেন। সে কারণেই ফের মিটিং এর প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ শানিয়েছেন।

Published by:Arka Deb
First published: