• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • STUDENTS WHO FAILED IN HS ARE BEING PROMOTED BY THE COUNCIL SWD

HS results: উচ্চমাধ্যমিকের অকৃতকার্য পড়ুয়াদেরও পাশ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে? কী বলছেন প্রধান শিক্ষকশিক্ষিকারা

যত জন অকৃতকার্য হয়েছেন সবাইকেই পাশ করানো হয়েছে বলে দাবি করছেন কলকাতার আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসা প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকারা।

যত জন অকৃতকার্য হয়েছেন সবাইকেই পাশ করানো হয়েছে বলে দাবি করছেন কলকাতার আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসা প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকারা।

  • Share this:

#কলকাতা: উচ্চমাধ্যমিকের (HS Exam) মূল্যায়ণে অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রী সবাই পাশ করল? এমনই প্রশ্ন এখন শিক্ষা মহলে। বুধবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কলকাতা আঞ্চলিক কার্যালয়ে বিভিন্ন জেলার একাধিক প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা উপস্থিত হয়েছিলেন। স্কুলের নাম বললেই মিলছে সংশোধিত মার্কশিট, এমনটাই দাবি প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। যত জন অকৃতকার্য হয়েছেন সবাইকেই পাশ করানো হয়েছে বলে দাবি করছেন কলকাতার আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসা প্রধান শিক্ষক- শিক্ষিকারা। এর জেরে স্কুলের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। মুর্শিদাবাদ থেকে আসা এক প্রধান শিক্ষক বলেন "আমাদের স্কুলে অনেক ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছিল। আমরা আজ যে মার্কশিট পেলাম তাতে দেখলাম, সব ছাত্রছাত্রীরাই পাশ করেছে।"

শুধু মুর্শিদাবাদ নয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা সহ একাধিক স্কুল থেকে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা আসছেন সংশোধিত মার্কশিট সংগ্রহ করতে। তাঁদের দাবি, যত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে সবাই পাশ করেছে। যদিও যারা পাশ করল, তাদের প্রাপ্ত নম্বর কত সেই বিষয়ে অবশ্য প্রধান শিক্ষকরা কথা বলতে নারাজ। শুধু তাই নয়, কোন নম্বরের ভিত্তিতে তারা পাশ করল সে বিষয়েও প্রধান শিক্ষকরা বলতে নারাজ। তবে পাশ করানোর সিদ্ধান্তের জেরে স্কুলে স্কুলে বিক্ষোভ আটকানো গিয়েছে বলেই দাবি বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিক্ষক শিক্ষিকাদের। প্রসঙ্গত মঙ্গলবারই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাসকে তলব করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। উচ্চমাধ্যমিকের অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপারে সংসদ কী পদক্ষেপ নিল সেই বিষয়েও গত কালের বৈঠকে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। গতকালকের বৈঠক প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন " আমাদের কিছু জানার ছিল। তাই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিকে ডেকেছিলাম।"

পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিকের নম্বর বিভ্রাটের ঘটনায় যে সমস্ত স্কুল আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল তাদের থেকে মুচলেকা নেওয়া হচ্ছিল বলেও মঙ্গলবার অভিযোগ তোলেন প্রধান শিক্ষকশিক্ষিকারা। মূলত ওই মুচলেকাতে রেজাল্টের সমস্যার জন্য স্কুলকে দায় করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ তোলেন প্রধান শিক্ষকদের একাংশ। প্রধান শিক্ষকদের তরফে অবশ্য সংসদকেই দায়ী করা হয়। যদিও এই মুচলেকা বিতর্কে সংসদ সভাপতি মন্তব্য করা থেকে এড়িয়ে যান।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলগুলিতে সংসদের আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই জারি করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। শুক্রবার প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে অসন্তুষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে সংসদের তরফে। সব মিলিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের মূল্যায়ন বিতর্কের সমাধান হল নাকি সেই প্রশ্নের উত্তর খুজছে শিক্ষকদের একাংশ।

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: