corona virus btn
corona virus btn
Loading

ব্যস্ত এম জি রোডে রাতভর ক্রিকেট ম্যাচ ! ঘুরপথে চলল গাড়ি

ব্যস্ত এম জি রোডে রাতভর ক্রিকেট ম্যাচ ! ঘুরপথে চলল গাড়ি

হিন্দু হোস্টেলের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে অবরোধ এম জি রোড ক্রসিং। ঘুরপথে চলছে বিভিন্ন গাড়ি, সমস্যা বাড়ছে সকাল হতেই।

  • Share this:

#কলকাতা: বৃহস্পতিবার বিকেলেও আঁচ করা যায়নি অবরোধের সময়! সন্ধ্যার পরে রাত হতেই বোঝা যায় অবরোধ চলবে রাতভর। শহরের কলেজ স্ট্রিট সংলগ্ন এম জি রোড ক্রসিং-য়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই বন্ধ সেই ক্রসিং। তার জেরে যাতায়তের অসুবিধায় হাওড়া ও শিয়ালদহের যাত্রীরা।

অপরদিকে শ্যামবাজার ও ধর্মতলার যাত্রীদেরও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অসংখ্য গাড়ি এম জি রোড ক্রসিং-এ এলেও ঘুরে যেতে হয়েছে সব-কটি যানকেই। শুধুমাত্র অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া কোনও গাড়ি ছাড়েননি প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। হিন্দু হোস্টেলের দাবি-সহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে ঘেরাও কর্মসূচি ও বিক্ষোভ চলছিল ক্যাম্পাস চত্বরে।  বৃহস্পতিবার বিকালে একটি মিছিলের মাধ্যমে এম জি রোড ক্রসিং -এ চলে আসে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। সেই ক্রসিং-এ ক্ষনিকের অবরোধ কর্মসূচির কথা জানানো হলেও আদতে অবরোধের কর্মসূচি কোনও ভাবেই ভেস্তে দেয়নি আন্দোলনকারীরা। অবরোধ আজ, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চলে।

এদিকে বৃহস্পতিবার এই যানজটের প্রভাব পড়ে ধর্মতলা, শিয়ালদহ,  শ্যামবাজার সহ একাধিক জায়গায়। বৃহস্পতিবার রাতে পড়ুয়াদের একাংশ রাস্তাতেই ছিলেন রাতভর। এদিন শুধু রাস্তায় আন্দোলন কর্মসূচি নয়, খাওয়া-দাওয়া, গান থেকে ক্রিকেট ম্যাচেরও সাক্ষী রইল এম জি রোড ক্রসিং। পুলিশের তরফে বারবার অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও তা মনাতে রাজি হয়নি আন্দোলনকারীরা। রাস্তার উপর ব্যানার, পোস্টারের মাধ্যমে তাদের ইস্যুকে তুলে ধরা হয়। প্রেসিডেন্সির ছাত্র দেবব্রত মন্ডল জানান, তাদের আন্দোলন কর্মসূচি চলবে। উপাচার্য তাদের সঙ্গে দেখা করে সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত চলবে অবরোধ।  প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আন্দোলনে উপাচার্য অনুরাধা লহিয়া কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস ছেড়ে বর্তমানে সমস্ত কাজ সামলাচ্ছেন নিউটাউন ক্যাম্পাস থেকে। বন্ধ এম জি রোড ক্রসিং-এ সারা রাত চলল আড্ডা, গান ও ক্রিকেট ম্যাচ। যাত্রীদের পড়তে হল সমস্যায়।

Susovan Bhattacharya

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: March 6, 2020, 7:50 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर