• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • STATE MINISTER SASHI PANJA GIVES LUDO TO PEOPLE TO STAY INDOOR IN TIMES OF CORONAVIRUS PBD

বাড়িতে থাকুন, খেলুন লুডো! প্রাণঘাতী করোনা ঠেকাতে মন্ত্রীর দাওয়াই

সোমবার সকালে উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুরের শিশুরা এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল। রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বেঙ্গল কেরাম ক্লাবের উদ্যোগে এলাকার কয়েকশো শিশুকে লুডো বিতরণ করলেন।

সোমবার সকালে উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুরের শিশুরা এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল। রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বেঙ্গল কেরাম ক্লাবের উদ্যোগে এলাকার কয়েকশো শিশুকে লুডো বিতরণ করলেন।

  • Share this:

#কলকাতা: গোটা বিশ্বজুড়ে যখন প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের থাবা চওড়া হচ্ছে, প্রতিদিন নতুন করে করোনা আক্রান্তের খবর আসছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই। এ রাজ্যও তার ব্যতিক্রম নয়। গোটা দেশ জুড়ে ২১ দিনের লকডাউনে বহু মানুষের জীবন জীবিকা চ্যালেঞ্জের মুখে। গ্রাসাচ্ছাদন করাই এখন সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেক মানুষের কাছেই। তবে সবথেকে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের। শিশুরা ঘরের থেকে বাইরে বেরোতে পারছে না। তাদের অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে অসহনীয়। না যেতে পারছে স্কুলে,না বেরোতে পারছে মাঠে। খেলাধুলা সব বন্ধ। এমনকি যাদের বাড়িতে টিভি, কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন আছে, তাও বাবা মায়ের দখলে। বন্ধু বান্ধবের সাথেও দেখা করা বন্ধ।

সোমবার সকালে উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুরের শিশুরা এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল। রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বেঙ্গল কেরাম ক্লাবের উদ্যোগে এলাকার কয়েকশো শিশুকে লুডো বিতরণ করলেন। সকাল থেকেই প্রত্যেকটি বাড়িতে যেন দমকা হওয়া। বাড়ির খুদেরা গত বেশ কয়েকদিন বাড়িতে দমবন্ধ হয়ে থাকছিল।এদিন প্রত্যেকেই যেন স্বাধীন। বেশ কয়েকদিন পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুক্ত হাওয়ায় শ্যামপুকুর থানার সামনে প্রত্যেকে জড়ো হয়। ফুটপাথের শিশু থেকে পথশিশু প্রত্যেককেই লুডোর বোর্ড ও গুটি তুলে দেয় মন্ত্রী শশী পাঁজা।

আর শিশুদেরও যেন তর সইছিল না। লুডো হাতে পেতেই রীতিমতো বোর্ড সাজিয়ে একে অপরের সঙ্গে লুডু খেলা শুরু করে দেয়। অন্যদিকে মন্ত্রীর তকমা ছেড়ে ছোটবেলার জগতে ফিরে যায় শশী পাঁজা রীতিমতো এলাকার শিশুদের সঙ্গে লুডো খেলায় মেতে ওঠেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী। শশী পাঁজা জানান শুধু দুটো নয় আগামী দিনে শিশুদের হাতে আঁকার বই রং-তুলি পেন্সিল তুলে দেওয়া হবে। তীব্র একাকীত্ব ঘোচাতে সবাই যেন এই উদ্যোগে সামিল হয় সেই আহ্বানও জানান তিনি। মারণ করোনা ভাইরাসকে ঠেকাতে বাড়ির বড়দেরকে এই শিশুরাই শিক্ষা দেবে যাতে কেউ লকডাউন এর সময় অকারণে বাইরে না বেরোয়। মন্ত্রী শশী পাঁজা মনে করেন এই শিশুরাই আগামী দিনে এই লকডাউনকে সফল করার সবথেকে বড় উপায় হয়ে দাঁড়াবে।

Published by:Pooja Basu
First published: