স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের, রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল...

প্রতীকী চিত্র।

এবার স্বাস্থ্য দফতর থেকে নির্দেশিকা জারি করে এই বার্তা দেওয়া হল।

  • Share this:

    #কলকাতা: স্বাস্থ্যসাথীর প্রকল্পের আওতাধীন যে কোনও রোগীকে কোনও মতেই ফেরানো চলবে না। বঙ্গের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালকে আগেই এই কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার স্বাস্থ্য দফতর থেকে নির্দেশিকা জারি করে এই বার্তা দেওয়া হল।

    মঙ্গলবার জারি হওয়া রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের ওই নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, রোগী ভর্তি নেওয়া না নেওয়া হাসপাতাল নার্সিংহোমগুলির  ইচ্ছাধীন নয়। স্বাস্থ্যসাথীর আওতাধীন রোগীকে ভর্তি নিতেই হবে। ফেরালে ব্যবস্থা নেবে সরকার।

    কী সেই ব্যবস্থা? রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর স্পষ্ট বলছে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা নার্সিং হোমের ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট লাইসেন্স বাতিল করা হবে। পুনর্নবীকরণেরও সুযোগ দেবে না রাজ্য। অর্থাৎ সেই হাসপাতালটিকে ঝাঁপ বন্ধ করতে হবে।

    দিন কয়েক আগেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও রোগী ফেরানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল নার্সিংহোমগুলির তরফে। সেই সময়ে হাসপাতাল, রোগী, দুপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতায় নেমে এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে ১৫-২০ শতাংশ রেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। জানিয়ে দেয় রোগী পিছু কার্ডের মাধ্যমে হাসপাতাল, নার্সিংহোমগুলিকে যে টাকা দেওয়া হচ্ছিল তার থেকে ১৫-২০ শতাংশ বেশি দেওয়া হবে। চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে প্রায় ৩৩ টি প্যাকেজে এই দরবৃদ্ধি করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এই বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের নার্সিংহোমগুলির কর্তাব্যক্তিরা। ওই বৈঠকেই মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জোর দেন যাতে কোনও ভাবেই রোগী ফেরানোর ঘটনা না ঘটে। এবার তা সুনিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা।

    প্রসঙ্গত এখনও পর্যন্ত ২ কোটির বেশি পরিবার স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবার আওতায় এসেছে। গত ডিসেম্বরের পর আরও ৭৬ লক্ষ পরিবার প্রকল্পের আওতায় এসেছে। দৈনিত অন্তত ৩৭০০ মানুষ এই পরিষেবা নিচ্ছেন। সরকারের খরচ হচ্ছে গড়ে সাত কোটি টাকা।

    Published by:Arka Deb
    First published: