৩ মে'র পর কোথায় কোথায় খুলবে দোকান? আগামিকাল বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য 

  • Share this:

    ARUP DUTTA

    #কলকাতা: ৩ রা মে'র পরেও, অতি সংক্রামক, রেড জোনে নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরী পরিষেবামূলক দোকানপাট ছাড়া বাকি দোকান বাজার খুলবে না। রেড জোনের মধ্যে রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর।  আগামিকাল নবান্নে  ক্যাবিনেট কমিটি ‘অন কোভিড ১৯’- এর  বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে সরকার। আজ মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা এই ইঙ্গিত দেন। তবে, মানুষের প্রয়োজন মেটানোর দিকে লক্ষ্য রেখে ঐ এলাকায় জরুরী নয়, এমন পণ্যের যোগান অব্যাহত রাখতে, অন লাইনে হোম ডেলিভারি ব্যবস্থা চালু রাখছে সরকার।

    সব দোকান বাজার খুলে দিলে, লক ডাউন কিভাবে করা যাবে? কেন্দ্রীয় নির্দেশ নিয়ে গতকালই প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে কেন্দ্রের থেকে স্পষ্ট নির্দেশিকা নিতে কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলতে মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ কেন্দ্রীয় সচিব আজয় ভাল্লা ও ৭ টি রাজ্যের মুখ্য সচিবের সঙ্গে কথা বলেন, রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা। মুখ্য সচিব জানান, ''আমরা কেন্দ্রের থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশিকা পাইনি। কেন্দ্রের গাইড লাইন না পেলে, আগামিকাল রাজ্যের বিশেষ ক্যাবিনেট কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।" সূত্রের মতে, রেড জোনে কোনও ধরনের শিথিলতা চায় না সরকার। তবে, অরেঞ্জ জোনে নিত্য প্রয়োজনীয় ও জরুরী পরিষেবার বাইরে থাকা কিছু দোকান বাজার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খোলার অনুমতি দিতে পারে সরকার। গ্রিন জোনে মোটামুটি সব দোকানপাট খুলবে। যদিও, অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে, কোনও নির্দেশই চূড়ান্ত নয়।

    গতকালই মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করে বলেছিলেন, ''গ্রিন জোন মানেই যথেচ্ছ ঘোরাঘুরি নয়। আগামী ২১ মে পর্যন্ত আমাদের সাবধানে থাকতে হবে। কোন এলাকায় নতুন করে সংক্রমণ দেখা দিলে, গ্রিন জোন আবার অরেঞ্জ জোনে চলে যেতে পারে।" ফলে, দোকান বাজার খোলার অনুমতি ততদিনই থাকবে, যতদিন না ওই জোনের চরিত্র বদল না হয়। গ্রিন জোন হলেও,   সোশ্যাল ডিস্টান্সিং মেনে, মাস্ক পরে বেরতে হবে।  গ্রিন জোনে রয়েছে মোট ৮ টি জেলা। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম।

    Published by:Simli Raha
    First published: