Home /News /kolkata /

পাহাড়ে জলসংকট মেটাতে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ঝোরার জল সংরক্ষণের উদ্যোগ রাজ্যের

পাহাড়ে জলসংকট মেটাতে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ঝোরার জল সংরক্ষণের উদ্যোগ রাজ্যের

রুক্ষ পাথুরে পাহাড়ে গরম পড়লেই শুরু শুখা মরশুম। পাহাড়ি নদী বা ঝোরার জল শুকিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ে।

  • Share this:

    #কলকাতা: রুক্ষ পাথুরে পাহাড়ে গরম পড়লেই শুরু শুখা মরশুম। পাহাড়ি নদী বা ঝোরার জল শুকিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ে। পাহাড়বাসীর সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একশো দিনের কাজের প্রকল্পে পাহাড়ি ঝোরার জল সংরক্ষণে জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার। কালিম্পঙে স্প্রিং শেড ডেভলপমেন্ট প্রকল্পের মাধ্যমে ভূগর্ভে জল সঞ্চয়ের কাজ চলছে। গলা ভিজেছে তৃষ্ণার্ত পাহাড়ের।

    দুর্গম পাহাড়ে প্রধান সমস্যা জল সংকট। দার্জিলিং, কালিম্পং বা কার্শিয়ঙের গ্রামগুলিতে যোগাযোগব্যবস্থাও অনুন্নত। হেঁটে বহু পথ পেরিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে আসেন তাঁরা। পানীয় জল ফুরিয়ে গেলে বাড়ে ভোগান্তি। গরমে পাহাড়ি নদী বা ঝোরা শুিকয়ে কাঠ। পাহাড়ের মানুষের জলসংকট মেটাতে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে ঝোরার জল সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য। কালিম্পঙে স্প্রিং শেড ডেভলপমেন্ট প্রকল্পের মাধ্যমে কৃত্রিম ঝোরা তৈরি করে ভূগর্ভে জল সঞ্চয়ের কাজ চলছে।

    কীভাবে ঝোরার জল সংরক্ষণ ? ------------------------------- - পাহাড়ি ঝোরার জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে - সেই জায়গার মাটি খোঁড়া হচ্ছে - বৃষ্টি হলেই খোঁড়া জায়গার মাটি সেই জল শুষে নিচ্ছে - ওই মাটিতে জল নিজেই পরিশোধন হয়ে যাচ্ছে - এই পরিস্রুত জল ভূগর্ভে জমা হয়ে ঝোরার গতি বাড়াবে - এই জমিতে বিভিন্ন ফলের গাছও লাগানো হচ্ছে

    এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে ধারাসেবক। সমস্যা মেটায় খুশি পাহাড়ের মানুষও।

    মাইলের পর মাইল রাস্তা হেঁটে জল আনতে যাওয়া। এসব দিন অতীত। তেষ্টায় দু-ঢোঁক জল বেশি খেলেও আর চিন্তা নেই। হাত বাড়ালেই যে কৃত্রিম ঝোরার ধারাপাত.........।

    First published:

    Tags: Egiye Bangla, Mamata Banerjee, STATE GOVERNMENT, Water Problems in hill

    পরবর্তী খবর