• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • লালগড়ে ধান দুর্নীতিকাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ রাজ্যের

লালগড়ে ধান দুর্নীতিকাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ রাজ্যের

লালগড়ে কৃষকদের ধান নিয়ে দুর্নীতিকাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার ৷ এর আগে ধান নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দুটি সমবায় সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল সরকার ৷

লালগড়ে কৃষকদের ধান নিয়ে দুর্নীতিকাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার ৷ এর আগে ধান নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দুটি সমবায় সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল সরকার ৷

লালগড়ে কৃষকদের ধান নিয়ে দুর্নীতিকাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার ৷ এর আগে ধান নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দুটি সমবায় সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল সরকার ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: লালগড়ে ধান কেলেঙ্কারির মূলচক্রীদের হাতে পেতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একইসঙ্গে কৃষকদের ক্ষোভ মেটাতে বকেয়া অর্থও মেটাতে চলেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু, শত চেষ্টাতেও ওই কাণ্ডে একমাত্র ধৃত পারচেজিং অফিসার প্রশান্ত খানকে জেরা করেও বড়সড় তথ্য এখনও হাতে পায়নি পুলিশ। এর আগে ধান নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দুটি সমবায় সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল সরকার ৷

    সরকারি দামে ধান বিক্রি করেছেন। কিন্তু টাকা পাননি জঙ্গলমহলের লালগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার ৬২ জন ধানচাষি। এই অভিযোগ আসে প্রশাসনের কাছে ৷ অভিযোগ পেয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ১৯ জুলাই লালগড়ে পাঠানো হয় রাজ্যের এক প্রতিনিধি দল ৷ কিন্তু তাতেও কৃষকদের ধান কোথায় গেল এই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি ৷ তাঁর জন্যই সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার ৷

    সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার নামে বড়সড় জালিয়াতি। পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড় ও ধরমপুর থেকে কেনা ১৩০০ কুইন্টাল ধানের এক কণাও এখনও হাতে পায়নি রাজ্যের খাদ্য দফতর। অভিযোগ, ধান বেচে কানাকড়িও পাননি বহু চাষি। ঘটনায় প্রশান্ত খান নামে এক পারচেজিং অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু, শত জেরাতেও মেলেনি কোনও সূত্র। ওই কেলেঙ্কারির চাঁইদের ধরতে এবার সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার।

    সর্বস্ব দিয়ে ধানচাষ করে বিপাকে লালগড়ের প্রায় ৫০-এরও বেশি ধানচাষী। সরকার তাদের কাছ থেকে ধান কেনার খবরে খুশি হয়েছিলেন তাঁরা। বিভিন্ন কৃষি উন্নয়ন সমিতির মাধ্যমে শুরু হয় ধান কেনা। পঞ্চায়েত প্রধানদের উপস্থিতিতে লালগড়ে কৃষকদের ধান কেনে পাইক অ্যাম্বি সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি। ওই সমিতির কর্মী বলে নিজেকে দাবি করা প্রশান্ত খান কৃষকদের কাছ থেকে প্রমাণ হিসেবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও জমি সংক্রান্ত তথ্য নেন। ধানচাষীদের দাবি, এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। সোমবার, বকেয়া টাকার দাবিতে লালগড় বিডিও-র সামনে বিক্ষোভ দেখান চাষিরা।

    পাইকআম্বি ও বনডিহি নামে স্থানীয় দুটি সমবায়কে সহায়ক মূল্যে চাল কেনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু, চাল কোথায় তা নিয়ে সংস্থাগুলির কাছেও কোনও সূত্র নেই। খাদ্য দফতরের তরফে লালগড়ে প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট অনুযায়ী, মনে করা হচ্ছে, চাল ঝাড়খণ্ডে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। জালিয়াতদের চাল ধরতে এবার ভরসা সিআইডি।

    বর্ষার মরশুম চলে গেল কিন্তু টাকার অভাবে নতুন করে চাষের কাজে হাত দিতে পারলেন না ধানচাষীরা ৷ পুরনো ধানের দামও পাননি এদিকে নতুন করে চাষ না করতে পারায় বিপুল ক্ষতির মুখে চাষীরা ৷ ক্ষতি মেটাতে কাল থেকে টাকা দেবে খাদ্য দফতর ৷ কিন্তু এখন প্রশ্ন, চাষীদের বিক্রি করা ধান গেল কোথায়?

    First published: