৫ টাকায় পুষ্টি, আসছে ‘মায়ের রান্নাঘর’ প্রকল্প, মমতা মনে করাচ্ছেন 'আম্মা'কে

৫ টাকায় পুষ্টি, আসছে ‘মায়ের রান্নাঘর’ প্রকল্প, মমতা মনে করাচ্ছেন 'আম্মা'কে
পাঁচ টাকায় মিলবে ভরপেট খাবার।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে কলকাতা পুরসভা এবার ‘মায়ের রান্নাঘর’ নামক এই কর্মসূচি চালু করছে।

  • Share this:

#কলকাতা: ভোটের মুখে শহরের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া ভোটারদের কাছে টানতে নতুন প্রকল্প আনছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। নাম মাত্র দামে শহরবাসীকে ভরপেট খাবার খাওয়াতে নতুন কর্মসূচি আনতে চলেছে কলকাতা পুরসভা।। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে কলকাতা পুরসভা এবার ‘মায়ের রান্নাঘর’ নামক এই কর্মসূচি চালু করছে।

এই কর্মসূচিতে আগামী সোমবার থেকেই ৫ টাকার বিনিময়ে সুলভে পুষ্টিকর খবার মিলবে। পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। দক্ষিণী নেত্রী জয়ললিতা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা আম্মা ক্যান্টিন নামে সস্তার ভোজনালয় চালু করেছিলেন রাজ্য জুড়ে। সেই প্রকল্পের জনপ্রিয়তা মিথের পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ভোটমুখী বাংলায় রুজির তাগিদে বা বিভিন্ন প্রয়োজনে রোজ দূরদূরান্ত থেকে আসা দরিদ্র মানুষের মন জয় করতে এই একই মডেল অনুসরণ করছেন মমতা। আবার উঠে আসছে বামেদের শ্রমজীবী ক্যান্টিনের কথাও।

সূত্রের খবর, ৫ টাকা দিয়ে সাধারণ মানুষ রাজ্য সরকার ও পুরসভার ‘মায়ের রান্নাঘর’ থেকে খাবার সংগ্রহ করতে পারবেন। মেনুতে থাক ২০০ গ্রাম চালের ভাত, সঙ্গে থাকবে ডাল, তরকারি ও ডিম। অর্থাৎ পেটও ভরবে, পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টিও থাকবে আহারে।


আগামী সোমবার থেকেই ১৬ টি বরোর তিনটি করে জায়গায় অর্থাৎ মোট ৪৮ টি জায়গায় এই কর্মসূচির সূচনা হচ্ছে বলে খবর। তার পর ক্রমশ ধাপে ধাপে শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ডে তা চালু হয়ে যাবে।আজ কলকাতা পুরসভায় এ বিষয়ে বৈঠক হয়। তারপরই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটের কয়েকমাস আগে কলকাতায় শাসকদলের এবং প্রশাসনের জনভিত্তি আরও মজবুত এবং জনপ্রিয় করতে এই সিদ্ধান্ত বলে বৈঠক সূত্রে খবর। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা নির্বাচনও হওয়ার কথা মার্চ মাসেই। ফলে ‘মায়ের রান্নাঘর’ সমর্থনের দরজা খুলবে বলেই আশা করছে শাসক শিবির।

লকডাউনের সময়েও বিভিন্ন যায়গায় সস্তায় রান্না খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করতে সরকারি উদ্যোগ জনপ্রিয়তা পেরেছিল। তাই এবার ওই উদ্যোগকে পাকাপাকি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই নতুন প্রকল্পের উদ্দেস্যে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।

Published by:Arka Deb
First published: