• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • রাজ্য-ডিভিসি বৈঠকে চাপানউতোর, না জানিয়ে জলছাড়ার অভিযোগ নবান্নের

রাজ্য-ডিভিসি বৈঠকে চাপানউতোর, না জানিয়ে জলছাড়ার অভিযোগ নবান্নের

নবান্নের বৈঠকেও জল ছাড়া নিয়ে ডিভিসি ও রাজ্য সরকারের চাপানউতোর অব্যাহত।

নবান্নের বৈঠকেও জল ছাড়া নিয়ে ডিভিসি ও রাজ্য সরকারের চাপানউতোর অব্যাহত।

নবান্নের বৈঠকেও জল ছাড়া নিয়ে ডিভিসি ও রাজ্য সরকারের চাপানউতোর অব্যাহত।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: নবান্নের বৈঠকেও জল ছাড়া নিয়ে ডিভিসি ও রাজ্য সরকারের চাপানউতোর অব্যাহত। রাজ্যের অভিযোগ, না জানিয়ে প্রতিদিনই জল ছাড়ছে ডিভিসি। ডিভিসি-র দাবি, প্রতিদিনই জলছাড়ার পরিমাণ রাজ্যকে জানানো হয়েছে। বৈঠকে রাজ্য কড়া বার্তা দিলেও, দিনের শেষে নতুন করে এক লক্ষ এগারো হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। প্লাবিত হয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান, হাওড়ার একাংশ।

    একদিকে নিম্নচাপের ভ্রুকুটিতে ফুঁসছে নদী। এমন ভরাবর্ষায় জলছাড়া নিয়ে রাজ্য ও ডিভিসির ঠান্ডা লড়াই চলছিলই। সোমবার নবান্নে ডিভিসি ও রাজ্য সরকারের বৈঠকেও সেই চাপানউতোর। এই পরিস্থিতিতে সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন, ডিভিসি ও রাজ্য সরকারের ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। মাথার ওপর নিম্নচাপের ভ্রুকুটি আপাতত বন্ধ হলেও জল ছাড়া কমেনি ডিভিসির। সোমবারও এক লক্ষ কিউসেকের বেশি জল ছেড়েছে সংস্থাটি।

    নিম্নচাপের জেরে প্রবল বর্ষণ চলছে রাজ্যে। এর মাঝেই বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ায় বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে।মুর্শিদাবাদ থেকে সুন্দরবন। কোথাও বেড়েছে জল, কোথাও সাড়াসাড়ির বাণে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা।

    ডিভিসির ছাড়া জলে বন্যার আশঙ্কা রাজ্যে। সকাল এগারোটা পর্যন্ত দুর্গাপুর থেকে জল ছাড়া হয়েছে ৬৩.০২৬ কিউসেক। ম্যাসাঞ্জোর থেকে জল ছাড়া হয়েছে ৮.২৮৭ কিউসেক। তিলপাড়া থেকে ছাড়া হয়েছে ৭.৭৪০ কিউসেক জল। মাইথন থেকে ছাড়া হয়েছে ৬.১৪৪ কিউসেক জল। ৪৩.৪৫৬ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে পাঞ্চেত জলাধার থেকে। চান্ডিল ব্যারাজ থেকে ৪৪১ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এছাড়া গালুডি থেকে ১.৪৫৮ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। তিস্তা থেকে ছাড়া হয়েছে ১৯.৬১১ কিউসেক জল। মুর্শিদাবাদের নূরপুর, গেরিয়া, নিমতিতা ও মালদার মানিকচকে বিপদসীমার ওপরে বইছে গঙ্গা। গাইঘাটায় বিপদসীমার ওপরে বইছে যমুনা নদী। হাওড়ার আমতায় দামোদর নদীর আশপাশে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের ডেনানে রূপনারায়ণের পরিস্থিতিও একইরকম। এরপরেও ফের জল ছাড়া হতে পারে বিভিন্ন জলাধার থেকে। নিম্নচাপের জেরে প্রবল বর্ষণ চলছে রাজ্যে। এর মাঝেই বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ায় বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে।

    একে বর্ষা, নদীতে ক্রমশ বাড়ছে জলস্তর। তার মধ্যেই নতুন করে চিন্তা বাড়াল ডিভিসি। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন থেকে নতুন করে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেই জল ছড়া হলে, বর্ষার জলের সঙ্গেই গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠবে বন্যা পরিস্থিতি।মুর্শিদাবাদের নূরপুর, গেরিয়া, নিমতিতা ও মালদার মানিকচকে বিপদসীমার ওপরে বইছে গঙ্গা।গাইঘাটায় বিপদসীমার ওপরে বইছে যমুনা নদী। এরই মধ্যে সাড়াসাড়ির বাণে বেশ কয়েকটি জায়গায় নদী বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় দিন গুণছেন সুন্দরবনের মানুষ। পাথরপ্রতিমা, নামখানা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় বাধের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাধ মেরামতের কাজ না করলে, আয়লার মতো বড় ধরণের অঘটন ঘটে যেতে পারে এমনটা অনুমান গ্রামবাসীদের।হাওড়ার আমতায় দামোদর নদীর আশপাশে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের ডেনানে রূপনারায়ণের পরিস্থিতিও একইরকম। দুপুর তিনটে পর্যন্ত জল ছাড়া হয়েছে ব্যারেজ জলের পরিমাণ

    দুর্গাপুর ৬৩,০২৬ কিউসেক ম্যাসাঞ্জোর ৮, ২৮৭ কিউসেক তিলপাড়া ৭, ৭৪০ কিউসেক মাইথন ৬, ১৪৪ কিউসেক পাঞ্চেত ৪৩, ৪৫৬ কিউসেক চান্ডিল ৪৪১ কিউসেক গালুডি ১, ৪৫৮ কিউসেক তিস্তা ১৯, ৬১১ কিউসেক

    প্রশাসনের উপর আর ভরসা রাখতে পারছে না, তাই নিজেরাই ভাঙা বাঁধ মেরামতের কাজে হাত লাগিয়েছেন সুন্দরবনের মানুষরা।

    First published: