• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কয়েকদিন ধরে হাওড়া স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভ, স্টাফ স্পেশাল নিয়ে চিন্তা বাড়ছে রেলের 

কয়েকদিন ধরে হাওড়া স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভ, স্টাফ স্পেশাল নিয়ে চিন্তা বাড়ছে রেলের 

যদিও গত কয়েকদিন ধরে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যেভাবে বিক্ষোভ হচ্ছে তাতে চিন্তা বেড়েছে রেলের।

যদিও গত কয়েকদিন ধরে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যেভাবে বিক্ষোভ হচ্ছে তাতে চিন্তা বেড়েছে রেলের।

যদিও গত কয়েকদিন ধরে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যেভাবে বিক্ষোভ হচ্ছে তাতে চিন্তা বেড়েছে রেলের।

  • Share this:

#কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরেই স্টাফ স্পেশালে যেভাবে বিভিন্ন যাত্রীরা ওঠা-নামা করেছেন তাতে চিন্তায় পড়েছে রেল। তাই আগামী কাল, রবিবার থেকে স্টাফ স্পেশাল এবং বিভিন্ন স্টেশনের ঢোকা-বেরনোর প্রবেশ পথে বাড়ানো হচ্ছে নজরদারি। হাওড়া ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সিকিউরিটি কমিশনার মহঃ আসলাম জানিয়েছেন, প্রতিদিন স্টেশনের বাইরে যে ভাবে বিক্ষোভ হচ্ছে তাতে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। রেল বন্ধ আছে। স্টাফ স্পেশালে ওঠার অনুমতি নেই।

যদিও গত কয়েকদিন ধরে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যেভাবে বিক্ষোভ হচ্ছে তাতে চিন্তা বেড়েছে রেলের। ডি আর এম হাওড়া ইশাক খান জানিয়েছেন, রেলের তরফ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যকেই আলোচনা শুরু করতে হবে। এরই মধ্যে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব চিঠি দিয়েছেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে। তবে আলোচনা কবে হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। ফলে সোনারপুর থেকে পান্ডুয়া। ব্যান্ডেল থেকে লিলুয়া। কাঁচড়াপাড়া থেকে বজবজ। গত কয়েকদিনে একাধিক স্টেশনে স্টাফ স্পেশাল ট্রেন নিয়ে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এমনকি ট্রেনে ভাঙচুর করার চেষ্টা, মারধর মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই অবস্থায় স্টাফ স্পেশাল ট্রেন আগামী দিনে চালানো নিয়ে চিন্তা বেড়েছে রেলের।

হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিভিশন। এই রাজ্যে ভারতীয় রেলের এই দুই ডিভিশনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন। গত ২২ মার্চ থেকে বন্ধ রেল পরিষেবা। একমাত্র স্পেশাল ট্রেন চলাচল করছে। আনলক অধ্যায়ে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও লোকালের দরজা খোলেনি। বিভিন্ন জায়গায় কাজের সূত্রে সাধারণ মানুষদের যাতায়াত করতে ভরসা সেই লোকাল ট্রেন। অনেকে বাস বা অন্য গাড়ির ব্যবহার করলেও তা বেশ খরচ সাপেক্ষ এবং সময় খরচ হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রতিদিন বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছে লোকাল ট্রেন চালু করতে হবে। এরই মধ্যে পুজো এসে যাওয়ায় চিন্তা বেড়েছে রেলের। রেল আধিকারিকদের অনেকের ধারণা, কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় ঠাকুর দেখার জন্যে বহু মানুষ তারা স্টাফ স্পেশালে উঠে যেতে পারেন। আর সেই অবস্থা তৈরি হলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে অনেকটাই। তাই স্টাফ স্পেশাল নিয়ে চিন্তায় দুই ডিভিশনের কর্তারা।

ইতিমধ্যেই স্টাফ স্পেশাল নিয়ে বৈঠক করেছে আর পি এফ এবং জি আর পি। হাজির ছিলেন রেলের কমারশিয়াল বিভাগের আধিকারিকরাও। ডি আর এম শিয়ালদহ এস পি সিং জানিয়েছেন, "আমাদের তরফ থেকে নজরদারিতে অবশ্যই জোর দেওয়া হচ্ছে। আমরা স্টাফ স্পেশালে চেকিং আরও বাড়িয়ে দিয়েছি। যদি কেউ স্টাফ বাদ দিয়ে ওঠা-নামা করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।" ইতিমধ্যেই রাজ্য রেল পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের সাহায্য চাওয়া হয়েছে রেলের তরফ থেকে।

রেলকে সবচেয়ে যেটা বেশি ভাবাচ্ছে, শহর ও শহরতলির একাধিক স্টেশনে ঢোকা-বেরনোর জন্যে একাধিক গেট আছে। সেই গেট দিয়ে যদি বহু মানুষ একসাথে ঢোকা-বেরনো করেন তাহলে সমস্যা বাড়বে। এদের রোখার জন্যে আরও রক্ষী প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক ফ্লাইং স্কোয়াড তৈরি করেছে। এছাড়া বাছাই করা প্রায় ৭০ স্টেশনে থাকছে বিশেষ নজরদারি। এছাড়া কমারশিয়াল বিভাগের স্টাফেদের নিয়ে বিশেষ চেকিং টিম বানানো হয়েছে। তারা ট্রেনে ট্রেন চেকিং চালাবেন। এত কিছুর পরেও ভয় কাটছে না রেলের। স্টাফ স্পেশাল নিয়ে মাথা ব্যথা বেড়েছে রেলের।

Published by:Pooja Basu
First published: