কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে অর্থের অভাব, চুরিতে অভিযুক্ত বিশ্বস্ত কর্মচারী!

লকডাউনে অর্থের অভাব, চুরিতে অভিযুক্ত বিশ্বস্ত কর্মচারী!

তিন লক্ষ টাকার বেশি জামাকাপড়ের সামগ্রী না পৌছানোয় মালিকের সন্দেহ হয় তাহলে কি বে-হাত হল জিনিসপত্র!

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউন জেরে চাকরি গেছে অনেকের, কর্পোরেট অফিস থেকে কারখানা ছাঁটাই-য়ের সংখ্যাটাও কম নয়। অর্থনীতি বিদরা অনেক আগেই এই কর্মহীন অবস্থার আগাম আন্দাজ দিয়েছিলেন। তাদের মতে লকডাউন থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চাইলেও বদলে যাবে কর্মস্থল। অনেকে চাকরি থাকলেও চুরি বা ডাকাতি বাড়বে বিভিন্ন জায়গায়। যদিও তাদের মতে কর্মহীন হয়ে চুরি-ছিনতাই-ডাকাতি আশঙ্কাই বেশি বলে মনে করেছেন।

শনিবার ঠিক এই ধরনের উদাহরণের সাক্ষী থাকল বড়বাজারের একটি জামাকাপড়ের দোকান। বড়বাজারের যমুনালাল বাজারের একটি দোকানের মালিকের কাছে হঠাৎ ফোন আসে অর্ডারের সামগ্রী পৌছায়নি নিদিষ্ট এলাকায়। তিন লক্ষ টাকার বেশি জামাকাপড়ের সামগ্রী না পৌছানোয় মালিকের সন্দেহ হয় তাহলে কি বে-হাত হল জিনিসপত্র!

দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত কর্মচারীর হাত দিয়ে পাঠানো ছাড়া কোন উপায় ছিল না ঐ দোকানের মালিকের। ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় সড়ক পথে বিশ্বস্ত কর্মচারীই ছিল মালিকের ভরসা। উত্তম মাহাতোর ডাক পড়ে তখনই, তাকে জিজ্ঞেস করেই কর্মচারীর উপর সন্দেহ হয় দোকানের মালিকের। শনিবার বড়বাজার থানায় অভিযোগ জানতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ।  তদন্তের প্রথমেই পুলিশের জেরায় স্বীকার করে উত্তম মাহাতো নিজেই সব সামগ্রী বিক্রি করেছে অন্য ব্যাক্তিকে।

পুলিশের আরও প্রশ্নের মুখে উত্তমের কাছে খোঁজ মেলে শেখ গোড়াপদ মন্ডলের। চোরাই জিনিস কিনেই সে অন্য দুই সঙ্গীকে বিক্রি করেছে। দুই জনকে গ্রেফতার করতেই পুলিশের নাগালে আসে মনিরুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলামের। দুইজনকেও গ্রেফতার করার পরে উদ্ধার হয় বেশ কিছু সামগ্রী।  তিনজন আগেও পুলিশের খাতায় নাম থাকলেও ভদ্রেশ্বরের বাসিন্দা উত্তম মাহাতোর থেকে জানতে চাওয়া হয় চুরির কারন।

সূত্রের খবর, সে জানায় লকডাউনে দীর্ঘদিনে অর্থনৈতিক সঙ্কটে ভুগেছে। বিভিন্ন সময় টাকা ধার করেই চলেছে তার সংসার।  এই অবস্থায় চুরির পথ  বেছে নেওয়াই একমাত্র পথ বলে মনে করেছেন অভিযুক্ত উত্তম। রবিবার চার অভিযুক্তকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হলে ১লা অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: September 28, 2020, 10:49 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर