corona virus btn
corona virus btn
Loading

এই বড়দিনে জেনে নিন সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চের ইতিহাস

এই বড়দিনে জেনে নিন সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চের ইতিহাস

ভিক্টোরিয়া,ময়দান,চিড়িয়াখানা,মিউজিয়াম, প্ল্যানেটোরিয়াম, সায়েন্স সিটি আরও কত কি। কিন্তু বড়দিনে বা ক্রিসমাসে সবাই একটা জায়গাতে অবশ্যই যেতে পছন্দ করেন, তা হল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চ।

  • Share this:

Sreeparna Dasgupta

#কলকাতা: কলকাতাতে বড়দিনের আমেজটাই একেবারে আলাদা। সারা বছর গরম থাকলেও বছরের এই সময়টা পাওয়া যায় শীতের আমেজ যা আনন্দকে দ্বিগুণ করে দেয়। বাচ্চাদের এই সময় স্কুল ছুটি থাকার কারণে বাবা মায়েরা বেরিয়ে পড়েন তাদের হাত ধরে। এই শহরেই বেড়াবার কত না জায়গা রয়েছে।

ভিক্টোরিয়া,ময়দান,চিড়িয়াখানা,মিউজিয়াম, প্ল্যানেটোরিয়াম, সায়েন্স সিটি আরও কত কি। কিন্তু বড়দিনে বা ক্রিসমাসে সবাই একটা জায়গাতে অবশ্যই যেতে পছন্দ করেন, তা হল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চ।কলকাতাতে এই চার্চ আসলে বহু পুরনো। আমরা সবাই এই চার্চে যীশু দর্শন করলেও তার ইতিহাস খুব একটা অনেকেরই জানা নেই হয়তো। একটু এর ইতিহাস জানলে কেমন হয় ?

ভারতে তখন ইংরেজ শাসন। কলকাতা ছিল রাজধানী। ১৮১০ সালের মধ্যেই এই শহরে তখন ৪০০০ পুরুষ ও ৩০০ ব্রিটিশ মহিলা বসবাস করেন।সেন্ট জনস চার্চ থাকলেও তা ক্রমশ বাড়তে থাকা ইংরেজদের জন্য বেশ ছোট হয়ে যাচ্ছিল ৷ ১৮১৯ সালে সেই সময় বাংলার গভর্নর জেনারেল মারকুইসের নির্দেশে শুরু হল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল তৈরির কাজ।

কিন্তু যে প্ল্যান ডিজাইন করা হয়েছিল, তা যথেষ্ট খরচ সাপেক্ষ হওয়াতে অনেকদিন সেই কাজ আটকে থাকে। তবে সব বাধা পেরিয়ে সঠিক নির্মাণের প্ল্যান তৈরি করে তবেই ১৮৩২ সালে এই চার্চের নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হয়।

৭ একর জমির ওপরে এই চার্চ নির্মাণের জন্য একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছিল সেই সময়। ৮ অক্টোবর ১৮৩৯-এ কাজ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ ৮ বছর লেগে যায় এই চার্চটি সম্পূর্ণ তৈরি করতে। ৮ অক্টোবর ১৮৪৭ সালে এই চার্চের দরজা খুলে দেওয়া হয় ইংরেজদের জন্য। সেই সময় রানি ভিক্টোরিয়া এই চার্চের জন্য ১০টি রুপোর প্লেট পাঠিয়েছিলেন উপহার স্বরূপ। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সময়ে যারা এখানে বসবাস করতেন সেই ব্রিটিশরা বেশ খুশি হয়েছিলেন এই চার্চ তৈরি হওয়ায়। এই চার্চের স্টাইল ছিল গথিক রিভাইভাল স্টাইল। কিন্তু মডার্ন দিনের আইরন ফ্রেম ওয়ার্কের কাজও লক্ষ্য করা যায় এর নকশাতে ৷ সে সময় এই চার্চ বানাতে খরচ হয়েছিল ৪,৩৫,৬৬৯ টাকা।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: December 25, 2019, 1:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर