• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • আদালতের নির্দেশে আটকে গেল SSC ফলপ্রকাশ, কী বলল কোর্ট ? রায়ের প্রতিলিপি পড়ুন...

আদালতের নির্দেশে আটকে গেল SSC ফলপ্রকাশ, কী বলল কোর্ট ? রায়ের প্রতিলিপি পড়ুন...

ফের আইনি ফাঁসে আরও একবার নিয়োগ থমকে পড়ার আশঙ্কা ৷ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা হওয়ার হওয়া কথা ৷ কিন্তু SSC পরীক্ষা হলেও ফলপ্রকাশ এখনই নয় ৷

ফের আইনি ফাঁসে আরও একবার নিয়োগ থমকে পড়ার আশঙ্কা ৷ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা হওয়ার হওয়া কথা ৷ কিন্তু SSC পরীক্ষা হলেও ফলপ্রকাশ এখনই নয় ৷

ফের আইনি ফাঁসে আরও একবার নিয়োগ থমকে পড়ার আশঙ্কা ৷ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা হওয়ার হওয়া কথা ৷ কিন্তু SSC পরীক্ষা হলেও ফলপ্রকাশ এখনই নয় ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: ফের আইনি ফাঁসে আরও একবার নিয়োগ থমকে পড়ার আশঙ্কা ৷ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা হওয়ার হওয়া কথা ৷ কিন্তু SSC পরীক্ষা হলেও ফলপ্রকাশ এখনই নয় ৷ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফলপ্রকাশে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা দিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷

    এছাড়া ‘স্পেশাল এডুকেশন’ মামলায় সুনীল দাস সহ-১১৫ জনকে পরীক্ষায় বসার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজীব শর্মা ৷ ‘বিএড স্পেশাল এডুকেশন’ নিয়ে SSC দেবেন তাঁরা ৷

    IMG-20161125-WA0048

    ইতিমধ্যেই নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছিল কমিশন ৷ এবারে দুটি আলাদা দিনে নেওয়া হবে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ৷ নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষকপদে নিয়োগ পরীক্ষা হবে ২৭ নভেম্বর এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষকপদে ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেওয়া হবে ৷ দু’টি পরীক্ষাই চলবে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে চলবে ১টা পর্যন্ত ৷ তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিএড বাধ্যতামূলক ৷ কিন্তু সুনীল দাম-সহ ১১৫ জনের SSC -র শর্তাবলির সঙ্গে মিল নেই  ৷ কারণ এদের বিএড থাকলেও তা স্পেশাল এডুকেশনের উপর রয়েছে ৷ পাশাপাশি সেটি RCI (Rehabilitation Council Of India ) অনুমোদিত ৷ কিন্তু SSC-র তরফে দাবি করা হয়েছে যে কেবল NCTE -কেই তারা মান্যতা দেবেন ৷ ফলে সুনীল দাস-সহ ১১৫জনকে কোনও অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি ৷ শুক্রবার বিচারপতি রাজীব শর্মা জানিয়ে দিয়েছেন সুনীল দাস-সহ ১১৫ জনকে পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে ৷ পাশাপাশি বিচারপতি জানান সঠিক দিনে পরীক্ষা হলেও এখনই ফল প্রকাশ করা যাবে না ৷ বিএড বাধ্যতামূলক হওয়ায় চাকরির আবেদনকারী কমছে স্কুল সার্ভিসে ৷ স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রের খবর মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকে আবেদনকারীর সংখ্যা অনেকটাই কম ৷ তুলনায় উচ্চ প্রাথমিকে আবেদনকারী  বেশি ৷ যেখানে নবম-দশমে আবেদনকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৪৫ হাজার, একাদশ-দ্বাদশে আবেদনকারী ১ লক্ষ ৫৫ হাজার সেখানেই উচ্চ প্রাথমিকে আবেদনকারী প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৷ রাজ্যের স্কুলগুলিতে শিক্ষক সঙ্কট তীব্র ৷ অবসরের বয়স এসে যাওয়ায় অবসর নিতে বাধ্য হচ্ছেন বহু শিক্ষক ৷  বিষয়াভিজ্ঞ শিক্ষকের পদ শূন্য ৷ অন্য বিষয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নিতে হচ্ছে একাধিক বিষয়ের ক্লাস ৷ ইতিহাস শিক্ষকের শূন্যতা পূরণ করতে ইতিহাস ক্লাস নিচ্ছেন বাংলার শিক্ষিকা ৷ কখনও কখনও অঙ্কের শিক্ষিকাকে ভূগোল পড়ানোর দায়িত্ব নিতে হচ্ছে ৷ রাজ্যের বেশিরভাগ স্কুলে চিত্রটা এমনই ৷ নিয়োগ আইনি জালে অবস্থা সামাল দিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আরও ৬ মাসের জন্য নতুন করে নিয়োগ করার কথা ভাবছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৷ কিন্তু ১৪ সেপ্টেম্বর আদালত টেটের ফলপ্রকাশের উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নিলে আশা জাগে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকপদে আবেদনকারীদের মনে ৷ কিন্তু SSC ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ফের আইনি ফাঁসে আরও একবার নিয়োগ থমকে পড়ার আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে ৷
    First published: