শান্তিকুঞ্জ এখন দুই-দুই, শিশির-দিব্যেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

শান্তিকুঞ্জ এখন দুই-দুই, শিশির-দিব্যেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, অধিকারী পরিবারের বাকি সদস্যদের নিয়ে

গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, অধিকারী পরিবারের বাকি সদস্যদের নিয়ে

  • Share this:

#কলকাতা: শান্তিকুঞ্জ এখন দুই-দুই। গত ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় যোগ দেন অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলে শুভেন্দু। এবার দাদার হাত ধরেই নতুন বছরের প্রথম দিনেই বিজেপি'তে যোগদান করলেন অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দু অধিকারী। এখন জল্পনা অব্যাহত তাহলে কি বাড়ির দুই সদস্যদের মতোই এবার পদ্মফুলে যাবেন বাড়ির অপর দুই রাজনৈতিক সদস্য। সরাসরি তারা এ বিষয়ে মুখ না খুললেও, শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, "আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে কাঁথিতে টি এম সি'কে ঝেঁটিয়ে সাফ করব।" ফলে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা এখন শিশির-দিব্যেন্দু'কে নিয়ে।

গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, অধিকারী পরিবারের বাকি সদস্যদের নিয়ে৷ খড়দহের সভা থেকেই শুভেন্দু অধিকারী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তার বাড়িতেও পদ্মফুল ফুটবে। এরই মধ্যে সৌমেন্দু অধিকারীকে কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে সরানোয় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে শুভেন্দু অধিকারী নিজেই জানিয়ে দেন, তার ভাই সৌমেন্দু সহ কাঁথি পুরসভার প্রায় ১৫ জন কাউন্সিলর যোগ দেবেন বিজেপি'তে। কাঁথির ডরমেটরি মাঠে শুভেন্দু অধিকারীর মঞ্চে বিজেপি'তে যোগ দেন কাঁথি পরিবারের ছোট ছেলে। এদিন সৌমেন্দু জানিয়েছেন, নতুন দল তাকে যে দায়িত্ব দেবে সে সেই দায়িত্ব পালন করবে। এদিন শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছেন, সৌমেন্দু অত্যন্ত ভালো পুর প্রশাসক ছিলেন। ফলে তার কাজের অভিজ্ঞতা নতুন দলে কাজে লাগবে।এদিন সকাল থেকেই অবশ্য জোড়া কর্মসূচীতে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিশেষ করে তার ঘরের মাঠে সভা করে তৃণমুল যে তোপ দেগেছিল তার বিরুদ্ধে পালটা সুর চড়িয়েছে শুভেন্দু।

আগামী কয়েকদিন বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে একাধিক সভা রয়েছে শুভেন্দুর। তিনি জানিয়েছেন প্রতিটি সভাতেই বহু তৃণমুল কংগ্রেস কর্মী দলবদল করে বিজেপি'তে যোগ দেবেন। তবে সবার নজর এখন এক দিকেই শান্তিকুঞ্জের বাকি দুই সদস্য কি করবেন? তারা কি তৃণমুলে থাকবেন? না'কি আরও দুই পদ্ম ফুটবে অধিকারী পরিবারে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর