• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • শহরের হোমে ধর্ষকের লালসার শিকার দৃষ্টিহীন তরুণী! অন্তঃসত্ত্বার অভিযোগে তোলপাড়

শহরের হোমে ধর্ষকের লালসার শিকার দৃষ্টিহীন তরুণী! অন্তঃসত্ত্বার অভিযোগে তোলপাড়

• পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষিতার দে‌হ বদোদরার মিনি নদীর পাশ থেকে উদ্ধার করেন তাঁর মেয়ে। দেখা যায় নগ্ন অবস্থায় গলার নলি কাটা, চোখে মারাত্মক আঘাত নিয়ে নদীর ধারে পড়ে আছেন তিনি। প্রতীকী ছবি

• পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষিতার দে‌হ বদোদরার মিনি নদীর পাশ থেকে উদ্ধার করেন তাঁর মেয়ে। দেখা যায় নগ্ন অবস্থায় গলার নলি কাটা, চোখে মারাত্মক আঘাত নিয়ে নদীর ধারে পড়ে আছেন তিনি। প্রতীকী ছবি

দৃষ্টিহীনতার সুযোগ নিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হরিদেবপুরের একটি হোমে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। পুরুলিয়া জেলার বাসিন্দা সেই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযোগ দায়ের করেন পুলিশে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ দৃষ্টিহীনতার সুযোগ নিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে । হরিদেবপুরের একটি হোমে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ । পুরুলিয়ার বাসিন্দা সেই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে পরিবার  অভিযোগ দায়ের করেন নিকটবর্তী থানায় । কিন্তু ঘটনাটি হরিদেবপুর থানা এলাকায় ঘটেছে বলে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ মামলাটি তদন্তের জন্য হরিদেবপুর থানায় পাঠিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জানুয়ারি মাসে হরিদেবপুরের ওই হোম থেকে চলে যান নির্যাতিতা । তরুণী পুরুলিয়ায় তাঁর বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন । জানা গিয়েছে, বাড়ি ফিরে গেলে প্রথমেই ধর্ষণের বিষয়ে কাউকেই কিছু জানাননি দৃষ্টিহীন ওই তরুণী । কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায় । তারপর পরিবারের তরফে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন । তদন্ত শুরু করে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ জানতে পারে হরিদেবপুরের হোমেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে । তারপর মামলা ট্রান্সফার করা হয় হরিদেবপুর থানায় । যদিও হরিদেবপুর থানার পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করে জানিয়েছে, সেখানে এখনও পর্যন্তই তেমন ঘটনা ঘটার ব্যাপারে কোনও সূত্র মেলেনি । ফের মামলাটি পাঠানো হতে পারে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের কাছে ।

কলকাতা পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, পুরুলিয়া জেলা থেকে মামলাটি আসার পর ওই হোমে যান হরিদেবপুর অফিসারেরা । সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে গত নভেম্বর মাসে হরিদেবপুরের হোম থেকে বাড়িতে চলে যান ওই তরুণী । তারপর শেষবার জানুয়ারিতে এসেছিলেন একবার। তারপর এতদিন কেন সেই তরুণী কাউকে কিছু জানালেন না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে । পাশাপাশি তিনি দৃষ্টিহীন হওয়ায় ধর্ষকের বিষয়ে কোনও কিছু জানাতে পারেননি তিনি । ফলে অভিযুক্তকে খুঁজে বের করতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকে । ওই আধিকারিকের কথায়, "এত বড় ঘটনা ঘটে গেলেও কেন সেই তরুণী কাউকে কিছু জানালেন না ? কেউ কি তাঁকে ভয় দেখিয়েছিল ? নাকি অন্য কোনও কারণে তিনি কাউকে কিছু জানাননি । তদন্তে সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"

SUJOY PAL

Published by:Shubhagata Dey
First published: