• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • SPAT BETWEEN PARTHA AND ASHOK OVER WHOSE RESPONSIBILITY IS MAINTENANCE OF NATIONAL HIGHWAY 34 DC

জাতীয় সড়ক ৩৪ নম্বর রক্ষণাবেক্ষণের দায় কার? পার্থ-অশোক তরজা

জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানাচ্ছে বারাসাত থেকে কৃষ্ণনগর অংশে দীর্ঘ ৮৪ কিমি অংশে রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে কাজ আটকে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে।

জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানাচ্ছে বারাসাত থেকে কৃষ্ণনগর অংশে দীর্ঘ ৮৪ কিমি অংশে রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে কাজ আটকে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে।

  • Share this:

#কলকাতা: উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম লাইফ লাইন ৩৪ নং জাতীয় সড়ক। অধুনা ১২ নং জাতীয় সড়ক হিসাবে তা পরিচিত। এই রাস্তার দীর্ঘ অংশের হাল বেহাল বলে বিধানসভায় জানালেন বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক তথা অর্থনীতীবিদ অশোক লাহিড়ী। রাজ্যের তরফে পাল্টা পার্থ চ্যাটার্জি জানিয়ে দিয়েছেন, এই রাস্তার দেখভালের দায়িত্ব জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের। রাস্তার খানা খন্দ নিয়ে তাই রাজ্যকে দোষ দিয়ে লাভ নেই৷ রাজ্যের রাস্তার হাল ভালো বলেই তিনি জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, কলকাতা থেকে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বালুরঘাট যাওয়ার সময়ে রাস্তায় ভোগান্তি হয় বলে অভিযোগ করেন অশোকবাবু৷ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানাচ্ছে বারাসাত থেকে কৃষ্ণনগর অংশে দীর্ঘ ৮৪ কিমি অংশে রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে কাজ আটকে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে। প্রায় প্রতি বছর কয়েক দফা করে রাজ্যের সাথে বৈঠক হয়। কিন্তু জট কাটাতে যে দীর্ঘসূত্রিতা চলে আসছে তার জেরে কাজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে দু'বার ঠিকাদার সংস্থা বদলে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত বারাসত থেকে বড়জাগুলি ১৭ কিমি অংশে উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় জমি পুরোপুরি হাতে পায়নি ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া  (NHAI)৷ তাই এই অংশে রাস্তা সম্প্রসারণ কবে হবে কেউ জানে না।

এনএইচএআই'য়ের জেনারেল ম্যানেজার আরপি সিং জানিয়েছেন, "বড়জাগুলিয়া থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ৬৭ কিমি অংশে গত বছর থেকে চার লেনের সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি যে সব জায়গায় রাস্তা খারাপ হয়েছে, সেখানেও প্যাচ ওয়ার্কের কাজ সম্পূর্ণ করতে বলা হয়েছে।"উল্লেখ্য, যে যে অংশে কাজ এখনও আটকে, তার মধ্যে অন্যতম কৃষ্ণনগর থেকে বহরমপুর৷ এই অংশে ১১ কিমি রাস্তার মধ্যে ৭ কিমি অংশে কাজ চলছে। যদিও বর্ষার জেরে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে। ৪ কিমি অংশে কাজের জন্যে এখনও জমি  মেলেনি। ফলে এই অংশেও কাজ আটকে। এর পরের অংশ মালদহ পর্যন্ত কাজ আটকে বিভিন্ন জায়গায়। ফারাক্কাতে নয়া ব্রিজ ভেঙে পড়ার ফলে কাজ শুরু হয়নি৷ মালদহ বাইপাসে জমির সমস্যার জন্যে কিছু কিছু জায়গায় কাজ আটকে। ঠিকাদারের সমস্যা হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে জমি না মেলায় কাজ শুরু করতে পারেনি তারা৷

মালদহ থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত অংশে অবশ্য জমি মেলায় কাজ শেষ বলে জানাচ্ছে এনএইচএআই। ডালখোলা বাইপাসের কাজ ২০২১ সালে শেষ হয়ে যাবে। রায়গঞ্জ থেকে ডালখোলার মধ্যে বাকি যে অংশ থেকে গেছে সেখানে কাজ শেষ হয়ে যাবে ২০২২ সালে। আরপি সিং জানিয়েছেন, "জমির সমস্যা না মিটলে আমাদের কিছু করার নেই৷ বারবার রাজ্যকে অনুরোধ করছি এই সমস্যা মেটানোর জন্যে। না হলে সমস্যায় পড়তে হবে সাধারণ মানুষকে।"

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: