• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • সোনারপুর কাণ্ডে পুলিশের টার্গেট কাশেম

সোনারপুর কাণ্ডে পুলিশের টার্গেট কাশেম

সোনারপুরে গোটা ডাকাতদলকে জালে পুরতে এবার পুলিশের টার্গেট কাশেম।

সোনারপুরে গোটা ডাকাতদলকে জালে পুরতে এবার পুলিশের টার্গেট কাশেম।

সোনারপুরে গোটা ডাকাতদলকে জালে পুরতে এবার পুলিশের টার্গেট কাশেম।

  • Share this:

    #কলকাতা: সোনারপুরে গোটা ডাকাতদলকে জালে পুরতে এবার পুলিশের টার্গেট কাশেম। ধৃত মঞ্জিলা খানের স্বামীই যে মূলচক্রী তা তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট। তার সন্ধানে এবার বাংলাদেশ যাচ্ছেন লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখার অফিসাররা। খোঁজ চলছে আরেক লিঙ্কম্যানেরও। আজই বাসন্তী থেকে উদ্ধার হয় দুষ্কৃতীদের ব্যবহৃত অটো। ধৃত চালকও।

     সীমান্ত পেরিয়ে লুঠপাট। এমনকি খুনেও পিছপা নয় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। পুলিশ নাগাল পাওয়ার আগেই ভিনদেশে চম্পট। সোনারপুরের ক্ষেত্রেও এমনই ছক ছিল। কিন্তু, কয়েকজন ধরা পড়তেই বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার মূলচক্রী কাশেম। কে এই কাশেম?

    কে এই কাশেম?

    - ধৃত মঞ্জিলা খানের স্বামী কাসেম - ডাকাতদের আশ্রয়দাতা মঞ্জিলা খান - কাশেম আসলে বাংলাদেশের বাসিন্দা - ৭ বছর আগে থেকেই ভারতে তার যাতায়াত - পরে বাসন্তীর ধুরি এলাকার বাসিন্দা হয়ে ওঠে সে - তখন থেকেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের সঙ্গে যোগাযোগ - এবারেও ডাকাতদের সব তথ্য দেয় কাশেমই - দোকানের সিসিটিভি ফুটেজেও কাশেমের ছবি মিলেছে

    এই কাশেমই এখন তদন্তকারীদের টার্গেট। ধৃত দুষ্কৃতী লাবলু সর্দারের থেকেও মিলেছে বহু তথ্য।

    লাবলুর স্বীকারোক্তি - ডাকাতির সময় স্বর্ণব্যবসায়ী দীপক দেবনাথকে গুলি করে লাবলুই - কাশেম ও লাবলুর মধ্যে লিঙ্কম্যান ছিল আরেকজন

    কিন্তু, কোথায় গেল কাশেম? কোথায় গেল আরেক সন্দেহভাজন? তদন্তকারীদের ধারণা, ডাকাতি ও খুনের পর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশেই গা ঢাকা দিয়েছে তারা।

    কোথায় উধাও দুষ্কৃতীরা? - কয়েকজন গ্রেফতার হলেও বাকি ডাকাতরা পালিয়েছে বাংলাদেশেই - কোথায় তারা আত্মগোপন করে থাকতে পারে তা জানতে পেরেছে পুলিশ - তদন্তে লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখার সাহায্য চায় জেলা পুলিশ

    তদন্তে আরও একধাপ এগিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে দুষ্কৃতীদের ব্যবহৃত অটোটিও।

    রবিবার, এই অটোতে চড়েই সোনারপুরে পৌঁছয় ডাকাতদল। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বাসন্তীর কাঁঠালবেড়িয়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অটোটিকে। গ্রেফতার করা হয়েছে চালক আতিয়ার রহমানকেও। তবে তদন্তকারীদের মূল টার্গেট কাশেম। সেই টার্গেট ফিক্স করতেই এবার ঢাকায় লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখার অফিসাররা।

    First published: