ছেলের ঘুসিতে মায়ের মৃত্যু! ছেলের প্রচুর টাকার চাহিদা মেটাতে না পেরে মৃত্যু নমিতা দত্তের

ছেলের ঘুসিতে মায়ের মৃত্যু! ছেলের প্রচুর টাকার চাহিদা মেটাতে না পেরে মৃত্যু নমিতা দত্তের

বারবার বিপুল অঙ্কের টাকার চাহিদা না মেটাতে পারায় মৃত্যু হল বছর পঞ্চাশের নমিতা দত্তের। আত্মীয় জানাতে পেরেই অভিযুক্ত ছেলে রাকেশ দত্ত

  • Share this:
#কলকাতা: ছেলের ঘুসিতে মায়ের মৃত্যু! রিজেন্ট পার্কে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। টাকা চেয়ে মায়ের সঙ্গে বচসা। ছেলের বিরুদ্ধে ঘুসি মারার অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বৃদ্ধার। গ্রেফতার অভিযুক্ত। প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের টাকার চাহিদা,  প্রতিদিন টাকা না দিলেই চলত মারধর।  প্রতিবেশীদের হাজারও অভিযোগ,  বিভিন্ন সময় ভেসে আসে কান্নার আওতায়,  তাও মারমুখী ছেলে রাকেশ দত্ত। বছর ঊনত্রিশের রাকেশের বিভিন্ন চাহিদা ৷  চাহিদার অন্ত নেই। অভাবের সংসারে দুবেলা খাবার জোটে না মা- ছেলের। তবু একটি চাহিদা মিটলেই আবার অন্য চাহিদা। এভাবেই চাহিদার শুরু,  মঙ্গলবার শেষ হল মায়ের মৃত্যুতে। রোজের মত অভিযুক্ত ছেলে রাকেশ দত্ত মারধর করত তার মা নমিতা দত্তকে। সোমবার মধ্যরাত থেকে অশান্তি বিশাল আকার নেয়, প্রতিবেশীদের কাছে রোজের মত লাগলেও মঙ্গলবার ভোরের দিকে ফের শুরু হয় অশান্তি। সকাল হতেই বাড়িতে নিস্তব্ধতা। রাকেশের জামাইবাবুর সঙ্গে রোজের মত চায়ের দোকানে দেখা করে রাকেশ। প্রথমে কিছু মনে না হলেও পরে তার মুখ দেখে সন্দেহ হয়। বকাবকি করতেই চালিয়ে যায় রাকেশ। পরে ফোন করে জামাইবাবুকে জানায় মা মারা গেছে।  প্রথমে অভাবী ঘরে অসুস্থতার কথা ভাবলেও এসে দেখেন বছর পঞ্চাশের মায়ের মৃত্যু হয় ছেলের হাতেই। মুখে রক্ত ও পেটে ঘুসি মারা দাগ। ছেলের থেকে জানতে চাইলে রাকেশ জানায় টাকার জন্য অশান্তি ও টাকা না দেবার জন্য পরিচারিকা মায়ের উপর মাথা গরম করে।
পরে মাথা ঠিক রেখে মারধর করা শুরু হয়, প্রথমে না বোঝা গেলেও পরে দেখেন নমিতা দত্ত মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। জামাইবাবু শুনেই খবর দেন থানায়, পরে রিজেক্ট পার্ক থানার তদন্তকারী অফিসার একচালার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নমিতা দত্তের দেহ৷ গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত ছেলে রাকেশ দত্তকে। পুলিশ জানাতে পেরেছে অভাবের সংসারে বিভিন্ন চাহিদা ও আর্থিক সমস্যার ধারদেনা করেও চলত সংসার।  ছেলে রোজগার না থাকার জন্য টাকা শোধ করতে হত নমিতাকে। বর্তমানে চোখের সমস্যায় পরিচারিকার কাজ চলে যায়। অভাবের সংসারে আরও দুর্দশা নেমে আসে, তারপরে আরও চলে অভিযুক্ত ছেলে রাকেশের মারধর। Susovan Bhattacharjee
First published: February 18, 2020, 5:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर