corona virus btn
corona virus btn
Loading

উত্তর কলকাতার এমন কিছু পুজোও আছে যেখানে শুধুই ইতিহাস আছে, পুজোটা আর নেই

উত্তর কলকাতার এমন কিছু পুজোও আছে যেখানে শুধুই ইতিহাস আছে, পুজোটা আর নেই

সে এক অন্য কলকাতার গল্প। বৃটিশদের আনুকূল্যে শহরজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে বাবু সংস্কৃতি। হঠাৎ পাওয়া টাকায় বিলাসিতার ফোয়ারা ছুটছে। তখন বাড়ছিল দুর্গাপুজোও।

  • Share this:

পুরোন কলকাতার পুজো মানেই ধুলো ঝেড়ে ইতিহাসের পাতা উলটে নেওয়া। আবার এমন কিছু পুজোও আছে যেখানে শুধুই ইতিহাস আছে, পুজোটা আর নেই। উত্তর কলকাতার বারাণসী ঘোষ স্ট্রিটের পুজোগুলোও হারিয়ে গিয়েছে। বিস্মৃতির অধ্যায় লিখেছে উত্তর কলকাতার এক চিলতে পাড়া।

সে এক অন্য কলকাতার গল্প। বৃটিশদের আনুকূল্যে শহরজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে বাবু সংস্কৃতি। হঠাৎ পাওয়া টাকায় বিলাসিতার ফোয়ারা ছুটছে। তখন বাড়ছিল দুর্গাপুজোও। জাঁকজমক আর জৌলুস কাদের বেশি, তা নিয়েও চলছে টক্কর। কারও বাড়িতে গয়না পরতে আসেন উমা, আরও বাড়িতে যান নাচ দেখতে। এসবের মধ্যেই সেযুগে এক পাড়ায় একটি পুজো দেখতে যেতেন মানুষ। যে পাড়া পরিচিত সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের নামে। যে পাড়ায় গিয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণদেবও। তবে এই পাড়ার পুজোগুলো আজ আর নেই... পুজো এলে আর ঢাকের তালে নেচে ওঠে না উত্তর কলকাতার বারাণসী ঘোষ স্ট্রিট।

বাংলার তালমিছরি প্রস্তুতকারক শ্রীমানীদের দুর্গাপুজোর নাম ছড়িয়েছিল দিকে দিকে। এই বাড়ির হরিসভাতেই কালী কীর্তন শুনে বাহ্যজ্ঞান শূন্য হয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। সেই কাহিনী ছড়িয়ে পড়তেই প্রতিবছর ভিড় উপচে পড়ত। কিন্তু শরিকি ভাগাভাগিতে এখন প্রায় মুছে গিয়েছে শ্রীমানীদের ঠাকুরদালান। এখন ঠাকুরদালানে ইতিহাস গুমরে মরে।

এই পাড়া একসময় হুতোম প্যাঁচাকে নকশা কাটতেও দেেখছে। সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের বাড়িটাও বারাণসী ঘোষ স্ট্রিটে। সিংহ বাড়ির সেই পুজোও গমগম করত মানুষের ভিড়ে। এখন কালীপ্রসন্নর সেই প্রাসাদ ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে। এ পাড়ায় কোথাও তার চিহ্ন নেই। শুধু তাঁর মন্দিরটা কোনওমতে বেঁচে আছে।

সেইসময় ব্যাঙ্কশাল কোর্টের নাম ছিল কোর্ট ফর স্মল কজেস। যার প্রথম ভারতীয় বিচারপতি ছিলেন হরপ্রসাদ ঘোষ। এই পাড়ায় তাঁর বাড়ির পুজোও ছিল বিখ্যাত। এখন সেই বাড়ি, নাটমন্দির, নহব‍ৎ সবই অতীত আঁকড়ে ঠায় দাঁড়িয়ে। স্মৃতিগুলো জমা আছে সময়ের হিসেব খাতায়। আর সময় লিখেছে বিস্মৃতির ইতিহাস........

First published: September 9, 2019, 3:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर