• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • SHAHID SHRADDHANJALI DIWAS BENGAL BJP PROTEST AND SIT FOR DHARNA UNDER THE LEADERSHIP OF DILIP GHOSH RC

Dilip Ghosh on Shahid Diwas: পেগাসাস কোম্পানির সফটওয়্যার ব্যবহার করেন মমতা ও তাঁর সরকার: দিলীপ ঘোষ

শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের পাল্টা শোনা গেল বাংলা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায় (Dilip Ghosh on Shahid Diwas)। ( Dilip Ghosh on Shahid Diwas, Shahid Shraddhanjali Diwas, দিলীপ ঘোষ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি)

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের 'শহিদ দিবস'-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা যখন দিল্লি-সহ একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ল, ঠিক সেই সময়ই বিরোধী বিজেপিও পাল্টা কর্মসূচি নিল জাতীয় স্তরে। দিল্লি থেকেই শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস কর্মসূচিতে (Shahid Shraddhanjali Diwas ) ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়ে সরব বিজেপি দিল্লি থেকে কলকাতা প্রতিবাদ জানাল। এদিন শহিদ দিবসের বক্তব্যের (Mamata Banerjee 21 July Speech) শুরুতেই পেগাসাস কাণ্ড নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সরাসরি কেন্দ্রকে আক্রমণ করে মমতার অভিযোগ, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে গোয়েন্দাগিরি চলছে৷ তাঁর অভিযোগ, গরিবকে প্রাপ্য টাকা না দিয়ে গোয়েন্দাগিরি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার৷

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের পাল্টা শোনা গেল দিলীপ ঘোষের গলায় (Dilip Ghosh on Shahid Diwas)। তাঁর দাবি, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, তাঁর ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। এক সময় তাঁর ডানহাত মুকুল রায় যিনি আমাদের দলে এসেছিলেন, তিনি অভিযোগ করেছিলেন তাঁর ফোন ট্যাপ করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিলেন তিনি। তিনি ভালোভাবে জানেন, ফোট ট্যাপ করার সংস্কৃতি কাদের। এই সংস্কৃতি আমাদের নয়। তৃণমূলের নেতারা হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলেন না, কারণ তাঁরা প্রত্যেকে জানেন তাঁদের ফোন ট্যাপ হয়। উনি নিজেই ট্যাপ করেন। পেগাসাস কোম্পানির সফটওয়্যার ব্যবহার করেন মমতা ও তাঁর সরকার। উনি ভালো ভাবে বলতে পারবেন কার কার ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। তাই আমাদের দলের নামে এই মিথ্যে অভিযোগ কোনও ভাবেই সফল হবে না। মোদিজিকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক ভাবে, গণতান্ত্রিক ভাবে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।'

    তৃণমূলের শহিদ দিবসকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, 'আজকে তৃণমূলেরও শহিদ দিবস চলছে, কংগ্রেসের শহিদ দিবসকে ছিনিয়ে নিয়ে এসে আন্দোলনে মৃত কর্মীদের স্মৃতিচারণ করে তৃণমূল। এর থেকে বোঝা যায় এই দলের মূল বলে কিছু নেই। সবই ধার করা ও চুরি করা। আমরা আমাদের ১৭৫ জন কর্মী যাঁরা গত ৭-৮ বছরে তৃণমূলের গুন্ডাদের দ্বারা খুন হয়েছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে একত্রিত হয়েছি।'

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারকে ফের একবার ভোট-পরবর্তী হিংসার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষের হুঙ্কার, 'মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তিনি বলেছেন, ভোটপরবর্তী কোনও হিংসা হয়নি। কিন্তু গত মে-জুন মাসে বিজেপির প্রায় ৪৫ জন কর্মী নিহত হয়েছেন। এবং প্রায় ১১ হাজার ৭৮২টি হিংসার ঘটনা লিপিবদ্ধ হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেক ঘটনা রয়েছে। ভবিষ্যতে পাব। আর এগুলির মধ্যে ৩৮৮৭টি ব্যক্তিগত ভাবে শারীরিক আক্রমণ করা হয়েছে। তার মধ্যে ৮৩০টি খুনের চেষ্টা হয়েছে। ৪৫ জনকে খুন করা হয়েছে। ৬৪৪৭টি ঘটনায় কর্মীদের বাড়ি ভাঙা হয়েছে। জেসিবি দিয়ে বাড়ি ভাঙা হয়েছে। প্রায় ৮০ হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থক বাড়ি ছাড়া রয়েছেন। এখনও ১০০০ মানুষ ঘরছাড়া। অনেকেই ভিনরাজ্যে গিয়ে চাকরি খুঁজে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের কর্মীদের উপর মিথ্যে কেস দেওয়া হয়েছে। শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত এর প্রতিবাদ করবে বিজেপি। এর বিচার হতেই হবে।'

    দিলীপ ঘোষের দাবি, 'পশ্চিমবাংলার ইতিহাসে এমন অত্যাচার দেখিনি। যারা বামফ্রন্টের অত্যাচারের বিরুদ্ধে শহিদ দিবস পালন করছেন, তারাই অত্যাচারের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। সারা দুনিয়াতে এটি চর্চা হচ্ছে। এই রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধ্বংস করেছে এই সরকার। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হচ্ছে। বিরোধী হওয়াটা এখানে অপরাধ।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: