Home /News /kolkata /
Crime: সসের মধ্যে এ কী মেশানো হচ্ছে কারখানায়! পুলিশের চোখই কপালে উঠল দেখে

Crime: সসের মধ্যে এ কী মেশানো হচ্ছে কারখানায়! পুলিশের চোখই কপালে উঠল দেখে

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Crime: প্রতিটি সসের সঙ্গে খুব সামান্য পরিমাণে পাল্প মিশিয়ে তাতে নিম্নমানের সবজি জাতীয় জিনিস মেশানো হত। এ ছাড়া কারখানায় ব্যবহৃত রঙ মেশাত সসের সঙ্গে।

  • Share this:

#কলকাতা:   চাইনিজ খাচ্ছেন ফুটপাথ কিংবা রেস্টুরেন্টে? খাবারের সঙ্গে সস ছাড়া জমে না। যেমন সোয়া সস, টম্যাটো সস, চিলি সস,ইত্যাদি সব। বেশ চেটেপুটে খান। আপনি কি জানেন? যেটা খাচ্ছেন সেটা আপনার মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে! এই রকম একটি ভেজাল সস কারখানার হদিশ পেয়েই কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ সরাসরি পাকড়াও করল ম্যানেজারকে। সুযোগ বুঝে ওই সস কারখানার মালিক পালিয়ে যায়। ইবি অফিসাররা কারখানার ম্যানেজার অমল কুমার ঘোষকে গ্রেফতার করে শুক্রবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে ,তাকে ১৫ জুন অবধি পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন - মহারাষ্ট্রে রাজ্যসভার তিন আসনে জয়ী বিজেপি, রাজস্থানে তিন আসন কংগ্রেসের

এনফোর্সমেন্ট এর গোয়েন্দারা ট্যাংরার পালিন খটিক রোডের, 'পৌচাং ব্রাদার প্রাইভেট লিমিটেডের' কারখানায় হানা দেয়। কারখানাটি বেশ উন্নত মানের মেশিনপত্র দিয়ে চলছিল। প্রতিটি সসের সঙ্গে খুব সামান্য পরিমাণে পাল্প মিশিয়ে তাতে নিম্নমানের সবজি জাতীয় জিনিস মেশানো হত। এ ছাড়া কারখানায় ব্যবহৃত রঙ মেশাত সসের সঙ্গে। যেটা ভয়ঙ্কর ক্ষতিকারক। এই কারখানা থেকে প্রচুর পরিমাণে সস এই ভাবে তৈরি হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন ছড়িয়ে পড়ে।   অন্তত পক্ষে এক টনের বেশি বিভিন্ন বড় বড় প্লাস্টিক জারে ভেজাল সস উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন - ত্রিপুরায় বিজেপির 'বাইক বাহিনী'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের, প্রতিবাদ রাজীব, সুস্মিতার

সঙ্গে কয়েক হাজার সস ভর্তি বোতল বাজেয়াপ্ত করে। প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দারা ১৯ ফেব্রুয়ারি এই কারখানা থেকে নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করেছিল। তার পর সসের গুণমান পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠায়। পুলিশের কাছে ৮ জুন রিপোর্ট আসে এই সস মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।   এর পরই পুলিশ ওই কারখানায় হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণে ভেজাল সার উদ্ধার করে। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং ব্যবহার করা হতো কিংবা নিম্নমানের সবজি ব্যবহার করা হত এ খানে। সেগুলো মানুষের শরীরে ক্ষতিকারক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ঘটাতে পারে। শুধু এই কারখানটি নয় শহরে বিভিন্ন কোণে লুকিয়ে রয়েছে আরও এক ধরনের সস কারখানা। সেগুলো নজর রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের।

SHANKU SANTRA
Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Crime

পরবর্তী খবর