corona virus btn
corona virus btn
Loading

চাল-ডাল-আলুর সঙ্গে লকডাউনে শহরে বিক্রি হচ্ছে পুরনো মোবাইলও ! 

চাল-ডাল-আলুর সঙ্গে লকডাউনে শহরে বিক্রি হচ্ছে পুরনো মোবাইলও ! 

না এটা লকডাউনে নতুন ব্যবসা নয়। বিভিন্ন সময় ওনারা এভাবেই নতুন নতুন জিনিসের সন্ধান করেন।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউনে সবাই ঘরবন্দি, সব সময়ের সঙ্গী মুঠো ফোন। শহরের দুই মহিলা খুঁজছেন পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন। নিজেদের বাড়তি দুটি মোবাইল জোগাড় হলেও লাগবে আরও ফোন। দুই ষাটোর্ধ মহিলা অবিরাম সন্ধানে রাখছেন মোবাইল। না এটা লকডাউনে নতুন ব্যবসা নয়। বিভিন্ন সময় ওনারা এভাবেই নতুন নতুন জিনিসের সন্ধান করেন।

তাহলে কি এটা হবি? না সেটাও নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উপায় মাত্র। লকডাউনে বন্ধ পড়াশোনা,  স্কুল থেকে বারবার বলেছে অনলাইনে ক্লাস করতে। সৌভিক, শিবরামের বাবা-মায়ের প্রথম প্রথম শব্দটা মনে না রাখতে পারলেও পরে তারা পরিচিত হন শব্দটির সঙ্গে। ‘অনলাইন’ ক্লাস কি ওরা জানে না, শুধু জানে একটা ভাল বড় মোবাইল, যাতে ইন্টারনেট থাকলেই হয় ক্লাস। যাদের কাছে নুন আনতে পান্তা ফুরায় তাদের কাছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন একটু বাড়তি ঝুঁকি নয় কি? তবুও লাগবে ফোন, ছেলেদের ভবিষ্যৎতের কথা ভেবে ফোনটাই দরকার।  পাবেন কি করে? লকডাউনে বেকার সংসারে খাবার যোগানটাই তো এখন দায়। স্কুলের অন্য বন্ধুরা নতুন ক্লাস করলেও সৌভিক, শিবরামের দেখা হয় নি সেই ক্লাসরুম। হাজারো সমস্যার মধ্যে বাবা-মা কাছে এটা একটা নতুন সমস্যা।  সমাধান করল দুই মহিলা।

ইচ্ছে ছিল চাল,ডাল দিয়ে পাশে দাঁড়াবে কিন্তু কুমোরটুলির একটি ছোট্ট মেয়ের একটি কথায় ওদের চোখ খুলে দিয়েছে।  কুমোরটুলির মেয়েটি বলে খাবার আছে শিক্ষা তো নেই, অনলাইন ক্লাস কি গো? ফোনের দাম কত? এই কথা শুনে মঞ্জু বসু ও তমিশ্রা দাস পরিকল্পনার বদল আনেন। নিজেদের ব্যবহারের দুটি ফোন দিয়ে দেন সৌভিক পাল ও শিবরাম পালকে। তারপরেই খবর আছে ওদের মত অনেকেই ক্লাস করতে চায়, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলটাই সমস্যা করতে। দুই মহিলা লোকের বাড়ি গিয়ে বা ফোনে ফোনে বেশকিছু মোবাইল জোগাড় করেছেন। এখন দু’জন সেই অনলাইন ক্লাস করলেও বাকিরা খুবই তাড়াতাড়ি যোগ দেবে নতুন ক্লাসরুমে। মঞ্জু ও তমিশ্রা এখন চাল, ডালের সঙ্গে দিচ্ছে সেই পুরোনো মোবাইল।

Susovan Bhattacharya

Published by: Bangla Editor
First published: May 10, 2020, 7:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर