দ্রুত স্কুল খোলার আবেদন, স্কুল বাস বাঁচাতে রাস্তায় সংগঠনের সদস্যরা 

দ্রুত স্কুল খোলার আবেদন, স্কুল বাস বাঁচাতে রাস্তায় সংগঠনের সদস্যরা 

এছাড়া দাবি জানানো হয়েছে, বাস ও মিনিবাসের মতো, আগামী ৬ মাসের কর বা রোড ট্যাক্স মকুব করে দেওয়া হোক। অনেকেই টাকার অভাবে রোড ট্যাক্স দিয়ে উঠতে পারেনি।

এছাড়া দাবি জানানো হয়েছে, বাস ও মিনিবাসের মতো, আগামী ৬ মাসের কর বা রোড ট্যাক্স মকুব করে দেওয়া হোক। অনেকেই টাকার অভাবে রোড ট্যাক্স দিয়ে উঠতে পারেনি।

  • Share this:

#কলকাতা: দ্রুত স্যানিটাইজ করে স্কুল খোলার আবেদন। আবেদন জানিয়ে শহরের রাস্তায় মিছিল করল স্কুল বাস সংগঠনগুলি। এদিন সকালে কালীঘাট পার্ক থেকে হাজরা অবধি মিছিল করেন সংগঠনের সদস্যরা। ওয়েস্ট বেঙ্গল কন্ট্যাক্ট ক্যারেজ ওনার্স অ্যান্ড অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এই মিছিল করা হয়। তাদের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তারা একটি চিঠিও দিয়েছেন।সংগঠনের দাবি, দ্রুত স্কুলগুলিতে স্যানিটাইজেশন করা হোক। যাতে স্কুল দ্রুত খোলার ব্যবস্থা করা যায়। একই সাথে তাদের বক্তব্য, স্কুল বাসগুলিকেও স্যানিটাইজ করা হোক।

সংগঠন অবশ্য জানাচ্ছে, বাসে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখেই বসানোর ব্যবস্থা করানো হবে। তার জন্যে প্রয়োজনীয় বাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সেই বিষয়ে অভিভাবক ও স্কুলগুলির সাথে তারা কথা বলে নেবেন। এর পাশাপাশি প্রধান দাবি, যতদিন না স্কুল খুলছে ততদিন স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকদের বাস ফি বাবদ মাসিক শতকরা ৫০% টাকা যেন দেওয়া হয়। সেই টাকা না পেলে স্থায়ী কর্মচারীদের বেতন সহ বাকি টাকা মেটানো যাচ্ছে না। গত ৮ মাস ধরে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে তাদের।

এছাড়া দাবি জানানো হয়েছে, বাস ও মিনিবাসের মতো, আগামী ৬ মাসের কর বা রোড ট্যাক্স মকুব করে দেওয়া হোক। অনেকেই টাকার অভাবে রোড ট্যাক্স দিয়ে উঠতে পারেনি। ফলে তাদেরকে ফাইন গুনতে হচ্ছে প্রতিদিন। এছাড়া অনেকেই সিএফ ও পারমিট ফাইন দিয়ে উঠতে পারেননি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী গাঙ্গুলী জানিয়েছেন, আগামী জুন মাস অবধি এটা পিছিয়ে দিলে সুবিধা হবে। গত কয়েক মাস ধরে তারা অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে টাকা দেওয়ার জন্যে আবেদন করেছেন কিন্তু কোনও ফল মেলেনি। তাই এবার রাস্তায় নেমে তারা তাদের দাবি জানালেন। এদিন প্রায় ১৫ হাজার সদস্য রাস্তায় নেমেছিলেন। ডিসেম্বর মাস থেকে স্কুল চালু নিয়ে তারা যদিও আশাবাদী। কর মকুব চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন পরিবহণ দফতরেও।

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর