• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • সরবজিৎ নয়, চিত্রনাট্যে শুধুই ঐশ্বর্য

সরবজিৎ নয়, চিত্রনাট্যে শুধুই ঐশ্বর্য

ছবির তৈরির পিছনে সবসময়ই কোনও না কোনও উদ্দেশ্য থাকে ৷ কখনও তা হয় একেবারেই পাবলিকের মনোরঞ্জনের জন্য, মানে ওই পয়সা উসুল ছবি ৷ আবার কোনও ছবি হয়, যা শুধুই সিনেমার মতো আর্ট ফর্মকে তুলে ধরতে, মানে অঙ্কের হিসেবটা এক্ষেত্রে প্রায় থাকেই না৷ পরিচালক ওমঙ্গ কুমার ‘সরবজিৎ’ ছবির উদ্দেশ্য কিন্তু দুটোই ৷ মানে একদিকে পাবলিকের মনোরঞ্জন ও আরেক দিকে ছবিতে বুদ্ধিদীপ্ত-র ছাপ ৷

ছবির তৈরির পিছনে সবসময়ই কোনও না কোনও উদ্দেশ্য থাকে ৷ কখনও তা হয় একেবারেই পাবলিকের মনোরঞ্জনের জন্য, মানে ওই পয়সা উসুল ছবি ৷ আবার কোনও ছবি হয়, যা শুধুই সিনেমার মতো আর্ট ফর্মকে তুলে ধরতে, মানে অঙ্কের হিসেবটা এক্ষেত্রে প্রায় থাকেই না৷ পরিচালক ওমঙ্গ কুমার ‘সরবজিৎ’ ছবির উদ্দেশ্য কিন্তু দুটোই ৷ মানে একদিকে পাবলিকের মনোরঞ্জন ও আরেক দিকে ছবিতে বুদ্ধিদীপ্ত-র ছাপ ৷

ছবির তৈরির পিছনে সবসময়ই কোনও না কোনও উদ্দেশ্য থাকে ৷ কখনও তা হয় একেবারেই পাবলিকের মনোরঞ্জনের জন্য, মানে ওই পয়সা উসুল ছবি ৷ আবার কোনও ছবি হয়, যা শুধুই সিনেমার মতো আর্ট ফর্মকে তুলে ধরতে, মানে অঙ্কের হিসেবটা এক্ষেত্রে প্রায় থাকেই না৷ পরিচালক ওমঙ্গ কুমার ‘সরবজিৎ’ ছবির উদ্দেশ্য কিন্তু দুটোই ৷ মানে একদিকে পাবলিকের মনোরঞ্জন ও আরেক দিকে ছবিতে বুদ্ধিদীপ্ত-র ছাপ ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: ছবির তৈরির পিছনে সবসময়ই কোনও না কোনও উদ্দেশ্য থাকে ৷ কখনও তা হয় একেবারেই পাবলিকের মনোরঞ্জনের জন্য, মানে ওই পয়সা উসুল ছবি ৷ আবার কোনও ছবি হয়, যা শুধুই সিনেমার মতো আর্ট ফর্মকে তুলে ধরতে, মানে অঙ্কের হিসেবটা এক্ষেত্রে প্রায় থাকেই না৷ পরিচালক ওমঙ্গ কুমার ‘সরবজিৎ’ ছবির উদ্দেশ্য কিন্তু দুটোই ৷ মানে একদিকে পাবলিকের মনোরঞ্জন ও আরেক দিকে ছবিতে বুদ্ধিদীপ্ত-র ছাপ ৷ এবার প্রশ্ন হল, প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এই ছবির এই দুই উদ্দেশ্যই কী পূরণ হল ?

    সহজ কথায় বলতে গেলে, ‘সরবজিৎ’ মিশেল ছবি ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ কখনও এই ছবি শুধুমাত্র আর্টফর্ম হয়ে দাঁড়ায়, কখনও একেবারেই বলিউড মশালা ফিল্ম ! কিন্তু এর বাইরেও এই ছবির আসল দুর্বল জায়গাই হল, চিত্রনাট্যে ঐশ্বর্য রাইকে অতিমাত্রায় গুরুত্ব প্রদান !

    ওমঙ্গ কুমার ‘সরবজিৎ’ বায়োপিক তৈরি করেছেন সরবজিতের দিদি দলদির সিংয়ের নজর থেকেই ৷ ভাই সরবজিত নিস্পাপ তা প্রমাণ করার লড়াইটা হয়ে উঠেছিল এই চিত্রনাট্যের আসল ট্রামকার্ড ৷ কিন্তু এই ট্রামকার্ডটাই খেললেন ঐশ্বর্যর হয়ে ৷ গোটা ‘সরবজিৎ’ ছবিতে ঐশ্বর্যই যেন শেষকথা ৷ আর তা প্রমাণ করতে গিয়ে, পরিচালক ওমঙ্গ কুমার বহু জায়গাতে সরবজিতের গল্পকে প্রচ্ছন্নে রেখে, প্রকটে এনেছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের অভিনয়, তাই তো ঐশ্বর্যের অতিরিক্ত কান্না, চিৎকার করে সংলাপ বলা মেকি হয়ে যায় ৷

    ‘সরবজিৎ’ এমন এক ছবি যেখানে বলিউডের স্টার তত্ত্বকে বেশিমাত্রায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, আর দুর্বল হয়ে উঠেছে সরবজিতের আসল গল্প ৷ ঐশ্বর্য রাই বচ্চন যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন, কিন্তু বেশ কিছু দৃশ্যেই ঐশ্বর্য প্রমাণ করতে ব্যর্থ, তিনি বলিউডের এক সময়রে তাবড় অভিনেত্রী ৷ খারাপ লাগে, রিচা চড্ডার মতো ভালো অভিনেত্রীর কথা ভেবে ৷

    পরিচালক ওমঙ্গ রিচাকে ব্যবহার করতে পারেননি ঠিকভাবে ৷ সরবজিতের চরিত্রে রণদীপ হুডা একেবারে সঠিক নির্বাচন ৷ জেলের বেশ কিছু দৃশ্য মনে দাগ কেটে যায় ৷ অতিনাটকীয়তার ছেঁটে, যদি সরবজিতের সত্যতা তুলে ধরতেন পরিচালক এই ছবিতে, তাহলে এই ছবি বলিউডের মাইলস্টোন হলেও হতে পারত, আর অবশ্যই ভুলতে হত চিত্রনাট্যে স্টার এফেক্ট ৷

    First published: