কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাংলার গ্রামে সান্টা! উপহার দিয়ে হাসি ফোটালেন কচিকাঁচার মুখে

বাংলার গ্রামে সান্টা! উপহার দিয়ে হাসি ফোটালেন কচিকাঁচার মুখে

বাচ্চাদের জন্য উপহার ছিল নতুন জামা, কেক, পেনসিল, নোটবুক, চকোলেট আরও কত কি। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের বেশ কিছু প্রাক্তন ছাত্রদের তরফে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ ক্রিসমাসের আর মাত্র দিনকয়েক বাকি। সান্টা ক্লজ এলেন বাংলার গ্রামে, আর হাসিতে ভরিয়ে তুললেন মলিন মুখগুলি। কারণ তাঁর দু’  পকেট যে ভর্তি অসংখ্য উপহারে। কচিকাঁচাদের ডেকে ডেকে দিলেন উপহার। রবিবার কলকাতা শহরের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা গেল এরকমই ঘটনা।

ধর্ম দেখে নয়, সান্টা গিফট দিলেন তাদেরই যারা বাবা-মা’র থেকে ভুরি ভুরি ক্রিসমাস গিফট পাবে না। বঞ্চিত, অবহেলিত ওরা সমাজে। কিন্তু তাতে কি, বড়দিনে অন্যদের মতো একটু উপহার পাওয়ার অধিকার আছে ওদেরও। বাচ্চাদের জন্য উপহার ছিল নতুন জামা, কেক, পেনসিল, নোটবুক, চকোলেট আরও কত কী!

কিন্তু প্রশ্ন হল কে বা কার এই সান্টা? ছিলেন কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের প্রিস্ট এবং প্রাক্তনীরা। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কলেজের বেশ কিছু প্রাক্তন ছাত্রদের তরফে।

রবিবার সকালে, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের কিছু প্রাক্তনী, কলেজের অধ্যক্ষ এবং কয়েকজন প্রিস্ট প্রথমে যান দক্ষিণ ২৪ পরগণার নেপালগঞ্জের পাইলখোলা গ্রামে। কলকাতা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে এই গ্রাম। প্রাক্তনী সদস্যরা বিনা খরচে বাচ্চাদের জন্য একটি প্রাইমারি স্কুলও চালায় এই গ্রামে, ১৯৯৯ সাল থেকে।

এই স্কুলেরই ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী উপহার পেয়েছে ক্রিসমাসের। শুধু তাই নয়, উপহার পেয়েছেন বাবা-মায়েরাও। কম্বল, মশারি স্যানিটাইজার এইসব ছিল তাঁদের জন্য। এই মুসলিম-প্রধান গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কাজ হারিয়েছেন লকডাউন চলাকালীন। উদ্দেশ্য ছিল, তাঁদের একটু সাহায্য করা।

সেন্ট জেভিয়ার্সের স্বেচ্ছাসেবী দলের পরবর্তী গন্তব্য ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগণার অন্য একটি গ্রাম, রাঘবপুর। এখানেও আলুমনি অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত স্কুলের ১০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে দেওয়া হয় নানা রকমের উপহার।

Published by: Antara Dey
First published: December 21, 2020, 5:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर