corona virus btn
corona virus btn
Loading

শাস্তি মূলক পদক্ষেপ আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে, কেটে নেওয়া হল বেতন

শাস্তি মূলক পদক্ষেপ আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে, কেটে নেওয়া হল বেতন

আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের মধ্যে বেশিরভাগেরই গড়ে সাত থেকে দশ দিনের বেতন কেটে নেওয়া হল। আন্দোলনের মূল নেতা- নেত্রীদের মধ্য থেকে কারওর আবার ৩২ দিনেরই বেতন কেটে নেওয়া হয়েছে

  • Share this:

SOMRAJ BANDOPADHYAY

#কলকাতা: শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা মতোই আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের বিরুদ্ধে এবার শাস্তি মূলক পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের মধ্যে বেশিরভাগেরই গড়ে সাত থেকে দশ দিনের বেতন কেটে নেওয়া হল। আন্দোলনের মূল নেতা- নেত্রীদের মধ্য থেকে কারওর আবার ৩২ দিনেরই বেতন কেটে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অসন্তুষ্ট পার্শ্বশিক্ষকরা। যদিও স্কুল শিক্ষা দফতরের ব্যাখ্যা, স্কুলে অনুপস্থিতির কারণ ও ডিআই এবং এসআই রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে দফতর।

মূলত নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো সহ বেশ কয়েক দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন পার্শ্বশিক্ষকরা। বিধান নগরে পুলিশের অনুমতি না পেলেও হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে অবস্থান আন্দোলন শুরু করেছিলেন তাঁরা। টানা ২৮ দিন অনশন এবং ৩২ দিন অবস্থান করেছিলেন পার্শ্বশিক্ষকরা। আন্দোলন চলাকালীনই পার্শ্বশিক্ষকদের শোকজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রাজ্যের তরফে। সর্বশিক্ষা মিশনের অধিকর্তা সুভাঞ্জন দাস জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, স্কুলে অনুপস্থিত পার্শ্বশিক্ষকদের যেন শোকজ করা হয়। শুধু তাই নয়, দফতরের আধিকারিকদের স্কুলে স্কুলে গিয়ে কোন কোন পার্শ্ব শিক্ষক অনুপস্থিত রয়েছেন, তার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। আন্দোলন চলাকালীন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বেশ কয়েকবার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে। তিনি বলেছিলেন, দিনের পর দিন স্কুলে যদি তাঁরা স্কুলে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে দফতর।

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, অনুপস্থিত পার্শ্বশিক্ষকদের তালিকা ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছিল বিভিন্ন জেলার আধিকারিকদের থেকে। পার্শ্বশিক্ষক ঐক্য মঞ্চের আন্দোলনের মূল নেতা- নেত্রীরাও বেতন কাটার হাত থেকে রেহাই পাননি। মূল আহ্বায়ক মধুমিতা বন্দোপাধ্যায় জানান "আমার ৩২ দিনেরই বেতন কেটে নেওয়া হয়েছে। শুধু আমরা নয়, খবর পেয়েছি অনেক আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদেরই কারও ৫দিন আবার কারও ৭বা ১০ দিনের বেতন কেটে নেওয়া হয়েছে।" তবে যাঁরা অনুপস্থিতির কারণ দেখাতে পেরেছেন তাদের অবশ্য কোনও বেতন কাটা যায়নি।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: January 3, 2020, 2:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर