'বাংগালি' বলে বিপাকে রুদ্রনীল ! মিঠুনের BJP যোগের জল্পনাতেও দিলেন উস্কানি !

রুদ্রনীল 'বাঙালি' না লিখে কেন 'বাংগালি' লিখলেন? এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

রুদ্রনীল 'বাঙালি' না লিখে কেন 'বাংগালি' লিখলেন? এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

  • Share this:

    #কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এখন এক নতুন হাওয়া বইছে। দলে দলে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এভাবে দল বদলে স্বাভাবিক ভাবেই চাপ বাড়ছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এর মধ্যে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে। মিঠুন চক্রবর্তী এর আগেই রাজনীতিতে হাত পাকিয়েছেন। এবং বেশ অনেকটা সময় সরে থেকেছেন এসব থেকে। তবে মিঠুনের সঙ্গে মোহন ভাগবতের বৈঠক, এবং প্রসেনজিতের বাড়িতে অর্নিবাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়। তবে কি প্রসেনজিত ও মিঠুন হাত ধরবেন বিজেপির। যদিও এ ব্যাপারে ইতি মধ্যে সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিত জানিয়েছেন তিনি রাজনীতিতে আসছেন না। তাঁর কাছে ইন্ডাস্ট্রিই শেষ কথা। কিভাবে সিনেমার উন্নতি করা যায় তিনি তা নিয়েই ভাবতে চান। তবে এর পরেও একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তা হল সদ্য বিজেপিতে জয়েন করা রুদ্রনীল ঘোষের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে।

    রুদ্রনীল বুধবার নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে দুটি ছবি শেয়ার করেন, প্রসেনজিতের সঙ্গে অর্নিবাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের ছবি। ও মিঠুনের সঙ্গে মোহন ভাগবতের ছবি। এই ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, "এই দুই বাংগালির স্ট্রাগল, পরিশ্রম, বিচক্ষণতা, দায়িত্ববোধ এবং সিদ্ধান্ত অনেক মানুষকে সাহস দেয়। নতুনভাবে ভাবতে শেখায়"। আর এই পোস্ট দেখার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় চর্চা।

    প্রথমত এই ছবি পোস্ট করে মানুষের মনে উস্কানি দিয়েছেন রুদ্রনীল। প্রসেনজিৎ বিজেপি জয়েন করছেন না জানালেও, মিঠুন এখনও কিছু জানাননি। রাজ্যে তৃণমূল অমিত শাহ, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়দের 'বহিরাগত' বলে আক্রমণের ধারা বজায় রেখেছে। সেই সময় রুদ্রনীল 'বাঙালি' না লিখে কেন 'বাংগালি' লিখলেন? এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তবে কি এটার মধ্যে লুকিয়ে আছে ব্যঙ্গাত্বক কিছু? আর যদি থাকেও তবে কেন দু'জন সম্মানীয় ব্যক্তির প্রশংসা করতে এই শব্দ তিনি ব্যবহার করলেন? এসব নিয়েই জোর চর্চা চলছে। বাঙালির ভাবাবেগে আঘাতের চেষ্টা করার মতো অভিযোগও করেন নেটিজেনরা।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: