অস্তিত্বহীন কমিটির নামে বিতর্কিত প্রচার, আরএসএস-এর বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ সিপিএমের

অস্তিত্বহীন কমিটির নামে বিতর্কিত প্রচার, আরএসএস-এর বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ সিপিএমের

জোনাল কমিটিকে সিপিএম বিলুপ্ত করে দিয়েছে বছর কয়েক আগেই। এবার সেই জোনাল কমিটির নামেই কিছু পোস্টারে বিতর্ক ছড়িয়েছে...

  • Share this:

#কলকাতা: জোনাল কমিটিকে সিপিএম বিলুপ্ত করে দিয়েছে বছর কয়েক আগেই। এবার সেই জোনাল কমিটির নামেই কিছু পোস্টারে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সম্প্রতি সিপিএম-এর বহরমপুর জোনাল কমিটির নাম করে কটাক্ষ করা হয় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। আইলিগে মোহনবাগানের জেতা প্রসঙ্গে এই পোস্ট ঘিরেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে

এই পোস্টটিতে ইতিমধ্যেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সিপিএম। মুর্শিদাবাদের নেতা ও দলের রাজ্য কমিটির সদস্য জামির মোল্লা নিজের ফেসবুক ওয়ালেও পোস্টটি শেয়ার করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, 'এই পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আজ খুব প্রচার হচ্ছে। যাঁরা প্রচার করছে তাঁরা জানেন না যে পার্টির জোনাল কমিটি বলে কিছু নেই। পার্টির বদনাম করার জন্য এই কাজ করছে। আমরা এই ঘৃণ্য কাজের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।' একই সঙ্গে জেলা কমিটির তরফেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, 'সবাই জানে এটা সিপিএমের সংস্কৃতি নয়। এটা আরএসএস-এর কাজ। যাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনও অবদান নেই তারা এখন নিজেরা দেশপ্রেমী সাজছে আর আমদের দেশদ্রোহী বানানোর চক্রান্ত করছে। মানুষ আমাদের চেনে। মানুষ ওদেরও চেনে। কখনওই মানুষ এই কথা বিশ্বাস করবে না। তাছাড়া যে বহরমপুর জোনাল কমিটির নামে এই প্রচার করা হয়েছে বর্তমানে তার কোনও অস্তিত্বই নেই। বছর তিনেক আগে জোনাল কমিটি তুলে দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা প্রচার করতেও যতটুকু শিক্ষা লাগে ওদের সেটাও নেই। ওরা পড়াশুনা করে না। ওরা মূর্খ। আমরা ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছি আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে।'

সিএএ, এনআরসি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলেছে। রাজনীতির ময়দান ছেড়ে ফুটবল মাঠেও তা ঢুকে পড়েছে। কিছুদিন আগেই যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনের ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে ব্যানার দেওয়া হয়েছিল, 'রক্ত দিয়ে কেনা মাটি কাগজ দিয়ে নয়'। তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক কম হয়নি। এবার মোহনবাগানের আই লিগ জেতার পরও নতুন করে তা আবার ফিরে এসেছে। এই পোস্টটি তারই একটা অঙ্গ বলে মনে করেন রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। তাদের বক্তব্য, 'ফুটবল প্রেমী বাঙালিদের উপর ইস্ট বেঙ্গল মেহনবাগানের প্রভাব যথেষ্টই রয়েছে। তাই রাজনীতির ক্ষেত্র থেকে সেটাকেও বাদ দিতে চায় না রাজনৈতিক দলগুলি।' তবে অনেকেই আবার রাজনীতির ময়দান থেকে ফুটবল ময়দানকে দূরে রাখারই পক্ষপাতী। তাঁদের মতে, ইলিশ চিংড়ির লড়াইতে রাজনীতির রং মেশালে ভাল ভাবে নাও নিতে পারে বাঙলার মানুষ। শেষে হিতে বিপরীতও হতে পারে। কিন্তু নতুন এই পোস্টটি নিয়ে সিপিএমের পদক্ষেপে কোথাকার জল কোথায় গড়ায় সবার নজর সেই দিকেই।

 UJJAL ROY

First published: March 14, 2020, 8:56 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर