• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • অ্যাপোলোর পর এবার আর এন টেগোর হাসপাতাল, পরিবারকে না জানিয়েই রোগী ভেন্টিলেশনে

অ্যাপোলোর পর এবার আর এন টেগোর হাসপাতাল, পরিবারকে না জানিয়েই রোগী ভেন্টিলেশনে

অ্যাপোলোর পর আর এন টেগোর হাসপাতাল। ফের রোগীর পরিবারের থেকে বাড়তি বিল আদায়ের অভিযোগ উঠল।

অ্যাপোলোর পর আর এন টেগোর হাসপাতাল। ফের রোগীর পরিবারের থেকে বাড়তি বিল আদায়ের অভিযোগ উঠল।

অ্যাপোলোর পর আর এন টেগোর হাসপাতাল। ফের রোগীর পরিবারের থেকে বাড়তি বিল আদায়ের অভিযোগ উঠল।

  • Share this:

    #কলকাতা: অ্যাপোলোর পর আর এন টেগোর হাসপাতাল। ফের রোগীর পরিবারের থেকে বাড়তি বিল আদায়ের অভিযোগ উঠল। অভিযোগ পরিবারকে না জানিয়েই ভেন্টিলেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রোগীকে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে যে বিল দেওয়া হয়েছে সেখানে স্টেন্টের দাম ধরা হয়েছে প্রায় তিনগুণ। বাড়তি বিলের অভিযোগ মানতে নারাজ হাসপাতাল। বিল মেটাতে অপারগ পরিবার চাইছে রোগীকে অন্যত্র নিয়ে যেতে। নদিয়ার রাণাঘাটের বাসিন্দা লক্ষীরাণী ঘোষ। বুকে ব্যাথা নিয়ে কলকাতায় বাইপাসের ধারে আর এন টেগোর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দফায় দফায় বিল বাড়িয়েছে। ভর্তির সময় পরিবারকে জানানো হয় ডাক্তার, বেড বাবদ প্রতিদিন দশ হাজার টাকা করে জমা করতে হবে। ওষুধের দাম আলাদা ধরতে হবে। ১০ ফ্রেব্রুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় রোগিনী সুস্থ আছেন। যদিও পরের দিন পরিবারকে জানানো হয় রোগিনীর অ্যাঞ্জিওগ্রাম করতে হবে। তার জন্য জমা দিতে হবে সাতাশ হাজার পাঁচশ টাকা। পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি বিল। সেই বিলে দুটি স্টেন্টের দাম বাবদ ধরা হয় ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ড্রাগ ডায়ালুটিং স্টেন্টের দাম হওয়া উচিত ৬৪ হাজার টাকা ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি রোগিনীকে সাধারণ বেড থেকে স্থানান্তর করা হয় ভেন্টিলেশন ওয়ার্ডে। পরিবারের অভিযোগ ভেল্টিলেশনে পাঠানোর কথা পরিবারকে জানানো হয়নি। যদিও প্রতিদিন ভেন্টিলেশনের জন্য নির্ধারিত বিল মেটাতে হচ্ছে। প্রতিদিন বিলের পরিমাণ বাড়তে থাকায় চিন্তিত পরিবার। তারা চাইছেন রোগিনীকে অন্যত্র নিয়ে যেতে।

    First published: