• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট স্বামী আত্মস্থানন্দজি মহারাজ

প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট স্বামী আত্মস্থানন্দজি মহারাজ

  • Share this:

    #কলকাতা: শেষ হল একটি অধ্যায়ের। প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১৫ তম প্রেসিডেন্ট স্বামী আত্মস্থানন্দজি মহারাজ। বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। দীন-দুঃখীদের সাহায্যে অগ্রনী ভূমিকার জন্য ভক্ত ও সাধারণের মনে বেঁচে থাকবেন তিনি।

    জন্ম বাংলাদেশে। দুই বাংলার মানুষের জন্যই উৎসর্গীকৃত তাঁর জীবন। দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও অগনিত মানুষের সাহায্যে পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। বন্যা হোক বা কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ভূমিকা কারও অজানা নয়। আর সেই কর্মকাণ্ডের কান্ডারী ছিলেন স্বামী আত্মস্থানন্দজি মহারাজ। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১৫তম প্রেসিডেন্ট মহারাজ।

    ১৯১৯ সালের ১০ই মে, অবিভক্ত বাংলাদেশের সবাজপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৩৮ সালে বিজ্ঞানানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নেন। ১৯৪১ সালে, মাত্র ২২ বছর বয়সে ব্রহ্মচর্য নেন। নাম হয়, স্বামী আত্মস্থানন্দ। এরপর ১৯৪৯ সালে সন্ন্যাস নেন। ওই বছরই বেলুড় মঠ ও মিশনের সঙ্গে যুক্ত হন। তারপর শুধুই আর্তের পাশে দাঁড়ানো। সেবাকেই জীবনের পরম ধর্ম হিসাবে বেছে নেন তিনি।

    দেশ-বিদেশে নানা সময় মানুষের সেবায় ছুটে গেছেন। ১৯৫২ সালে রাঁচি রামকৃষ্ণ মিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটরি হন। ১৯৫৮ সালে তৎকালীন রেঙ্গুন সেবাশ্রম হাসপাতালের দায়িত্ব নেন। ক'বছর পর সেখানে সেনার হাতে ক্ষমতা চলে যাওয়ায় দেশে ফিরে আসেন। ১৯৬৬ সালে গুজরাতের রাজকোট রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান হন।

    ১৯৭৩ সালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের পরিচালন সমিতিতে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হন। ১৯৭৫ সালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহকারি সম্পাদক হন। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ছিলেন সহকারি সভাপতি। এরপর ৩ ডিসেম্বর ২০০৭, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১৫ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন স্বামী আত্মস্থানন্দজী মহারাজ। আত্মস্থানন্দজির কথাতেই রাজনীতিতে আসেন নরেন্দ্র মোদি। বিভিন্ন সময় দীক্ষাগুরুর সঙ্গে দেখা করতে ছুটে গেছেন নরেন্দ্র মোদি। সেবা, আর্তের পাশে দাঁড়ানো, অনাথ-দুস্থদের সাহায্য। তাঁর জীবনের এই মূলমন্ত্রগুলির জন্যই তিনি বেঁচে থাকবেন অগনিত ভক্ত ও গুনমুগ্ধর মনে।

    First published: