আম্বিয়া থেকে আরসালান, বিত্তশালীর বেপরোয়া স্টিয়ারিং কাড়ছে সাধারণের প্রাণ

আম্বিয়া থেকে আরসালান, বিত্তশালীর বেপরোয়া স্টিয়ারিং কাড়ছে সাধারণের প্রাণ
photo: arsalan

যৌবনের উদ্দামতায় গতি আর নাগালে থাকছে না।

  • Share this:

#কলকাতা: আইন আছে। কিন্তু সাজা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ফাঁকেই আরও বেপরোয়া আরসালান পারভেজ, আম্বিয়া সোহরাবদের উচ্চবিত্তের সন্তানদের স্টিয়ারিং। প্রাণ যায় সাধারণের। কাঠগড়ায় ওঠে পুলিশ। তবুও নির্বিকার। আইনের সংশোধন প্রয়োজন। দাবি আইনজীবী মহলের।

নিশি বাড়লেই গর্জন বাড়ে পোর্শে, অ্যাস্টন মার্টিন, বেন্টলে, মার্সিজিড, জাগুয়ারের অ্যাক্সিলেটরের। কলকাতা শহরে এমন অত্যন্ত দামী ও আধুনিক গাড়ির সংখ্যা একশোর বেশি। পোর্শে - ১৬১
রোলস রয়েস - ৭ অ্যাস্টন মার্টিন র‍্যাপিড - ৩ বেন্টলে মোটরস - ১২ মার্সিডিজ - ৩০০ র‍্যাঙ্গলার - ৩ ফেরারি - ১৪ ল্যাম্বরঘিনি - ৭ জাগুয়ার ফ্রিল্যান্ডার - ৭ জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার - ৩৮ জাগুয়ার রেঞ্জ রোভার - ৮৭ মাসেরাতি - ১ নির্জন শহরের রাস্তায় দাপিয়ে বেড়ায় বিলাসিতার আধুনিক গতি। ভেঙে যায় একটার পর একটা সিগন্যাল। আম্বিয়া সোহরাব, আরসালান পারভেজের মতো রইসের স্টিয়ারিংয়ে লেখা থাকে মৃত্যুর পরোয়ানা। আইনের দোহাইয়ে হাত বাধা পুলিশের। আর ঘুমের মধ্যেই উৎকন্ঠার স্বপ্ন আম-আদমির। চালকের নিরাপত্তার সবসময় অগ্রাধিকার। দাবি করছেন গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থার কর্তারা। তাই ডেলিভারির আগে, প্রায় দেড়ঘণ্টা ক্লাস নেওয়া হয়। প্রশ্ন উঠছে, এরপরেও কেন সচেতন নন চালকরা ? বিশেষজ্ঞদের মতে, বিলাসিতা আজ সহজলভ্য। তাই খুব সহজেই ফেরারি, জাগুয়ারের মতো বিদেশি ব্র্যান্ডের স্টিয়ারিং হাতে পেয়ে যাচ্ছেন উচ্চবিত্তের সন্তানরা। যৌবনের উদ্দামতায় গতি আর নাগালে থাকছে না। আইনজীবী মহলের দাবি, কড়া আইনের অভাবে নিরুপায় পুলিশ। আইনের সংশোধন কি হবে ? উত্তরের অপেক্ষায়। কিন্তু ততদিন কী করবে সাধারণ মানুষ। উত্তর নেই। কারণ, বিলাসিতার গতিদের তাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। আর আইনের অজুহাতে হাতবাধা পুলিশের।
First published: August 20, 2019, 8:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर