• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • স্ট্রোকের চিকিৎসায় আরজিকরের নজির

স্ট্রোকের চিকিৎসায় আরজিকরের নজির

স্ট্রোকের চিকিৎসায় নজির গড়ল আরজিকর হাসপাতাল। রাজ্যে এই প্রথম কোনও হাসপাতালে বিনামূল্যে স্ট্রোক আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হবে ৷

স্ট্রোকের চিকিৎসায় নজির গড়ল আরজিকর হাসপাতাল। রাজ্যে এই প্রথম কোনও হাসপাতালে বিনামূল্যে স্ট্রোক আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হবে ৷

স্ট্রোকের চিকিৎসায় নজির গড়ল আরজিকর হাসপাতাল। রাজ্যে এই প্রথম কোনও হাসপাতালে বিনামূল্যে স্ট্রোক আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হবে ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: স্ট্রোকের চিকিৎসায় নজির গড়ল আরজিকর হাসপাতাল। রাজ্যে এই প্রথম কোনও হাসপাতালে বিনামূল্যে স্ট্রোক আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হবে ৷

    রাজ্যের যে কোনও বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিং হোমে স্ট্রোকের চিকিৎসা করাতে গেলে ন্যূনতম খরচ এক থেকে দেড় লাখ টাকা। কিন্তু এখন কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা করাতে পারবেন স্ট্রোক আক্রান্তরা।

    রাজ্যের সরকারি হাসপাতাগুলির মধ্যে আরজিকরেই প্রথম চালু হলে এই পরিষেবা। চলতি বছরের মে মাস থেকে হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। তার পর থেকে ইতিমধ্যেই ১১ জন রোগীকে নতুন জীবন দান করেছেন এখানকার চিকিৎসকরা।

    এরাজ্যে সরকারি হাসপাতালে স্ট্রোক আক্রান্তদের চিকিৎসা প্রায় অধরাই ছিল। স্ট্রোক আক্রান্তদের চিকিৎসায় এক বিশেষ ধরনের ইনজেকশন প্রয়োজন হয়। যার দাম প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার কাছাকাছি। এতদিন তা সরকারি হাসপাতালে পাওয়াই যেত না। বেসরকারি হাসপাতালে বা নার্সিং হোমে এই ইনজেকশন দিতে গেলে খরচ পড়তে ৭০ থেকে ১ লাখ টাকা। ফলে বহু ক্ষেত্রেই অনেক রোগী সেই খরচ বহন করতে পারত না।

    অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্ট্রোকের লক্ষণ বুঝতেই অনেকটা সময় লেগে যায় রোগী বা রোগীর আশপাশের লোকজনের। ফলে চিকিৎসা শুরু করতে অনেকটাই দেরী হয়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত শিথিল হয়ে পড়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া হল স্ট্রোকের মূল তিনটি লক্ষণ। চিকিৎসকের ভাষায় যাকে বলা হয় FAS অথবা FACE ARM SPEECH। এই তিনটি লক্ষণ দেখা দিলে সেই ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে গেলে স্ট্রোক আক্রান্তদের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

    কয়েকদিন আগে হঠাৎ-ই অসুস্থ হয়ে পড়েন বারাসত বেলিয়াঘাটার বাসিন্দা বেদানা পাত্র। মুখ বেঁকে যাওয়ার পাশাপাশি কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল তাঁর। আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায় ম্যাসিভ স্ট্রোক হয়েছে বেদানা পাত্রের। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করেন হওয়ায় এখন অনেকটাই সুস্থ তিনি। হাসপাতালের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রোগীর পরিবার-পরিজনরাও।

    প্রাথমিকভাবে শুধু আরজিকরে চালু হলেও খুব শীঘ্রই বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরোলজিতেও এই বিনামূল্যে এই চিকিৎসা শুরু করতে চলেছে স্বাস্থ্য দফতর।

    First published: