কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আশঙ্কাজনক রোগীকে ভর্তি না করে আগে যাবতীয় টেস্ট করাচ্ছে আর জি কর!

আশঙ্কাজনক রোগীকে ভর্তি না করে আগে যাবতীয় টেস্ট করাচ্ছে আর জি কর!

শুরু বিষম বিপত্তি৷

  • Share this:

#কলকাতা : উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সোদপুরের বাসিন্দা অমূল্য রায়,৬০ বছর বয়স। গত বেশ কিছুদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। গত দুদিন হলো সারা গা হাত পা ফুলে গেছিল,হাঁটাচলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে প্রথমে স্থানীয় পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত তাকে রেফার করে দেয় আরজিকর হাসপাতালে। সকাল ১০ টা নাগাদ অমূল্য বাবুকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা আসেন বেলগাছিয়া আর জি কর হাসপাতালে।

এরপরই শুরু হয় বিপত্তি। আর জি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দেখে বলেন আগে ইসিজি,চেস্ট এক্স রে,রক্তের বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করে নিয়ে আসতে। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে পরিবারের। ট্রলির মধ্যে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন অমূল্য রায়। এদিকে ইসিজি সহ অন্যান্য যে সব পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে,সেখানে শয়ে শয়ে মানুষের লাইন,আদৌ কখন মুমূর্ষু অমূল্য রায়ের পরীক্ষা সম্ভব হবে,কখনই বা তাকে ভর্তি করা সম্ভব হবে টা ভেবে কূল পাচ্ছেন না তারা। যন্ত্রণায় ছটপট করতে করতে অমূল্য রায় বলেন," গত দু'দিন ধরে গোটা হাত পা ফুলে গেছে, পেচ্ছাপ প্রায় বন্ধ, আমি আর যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছি না। আর এখন এখান থেকে বলছে আগে টেস্ট করতে হবে,তারপরে বাকি সব। এসব টেস্ট করতে করতেই আমি মরে যাব।"অমূল্যবাবুর বড় ছেলে অপূর্ব রায় জানান," বাবাকে নিয়ে পানিহাটি হাসপাতালে গেলে সেখানে কোনো রকমে ডাক্তার দেখেই প্রথমে রেফার করে দিল আরজিকর হাসপাতালে।  আর এখানে এসে এই রকম চরম ভোগান্তি! ডাক্তারবাবুরা যে টেস্ট করতে দিল,সেই টেস্ট আজ গোটা দিন ধরেও সম্পূর্ণ করতে পারব না। এত ভিড়,কখন এতগুলো টেস্ট করাবো? তাহলে বাবাকে কখন ভর্তি করব, আর আদৌ কখন তার চিকিৎসা শুরু হবে! চোখের সামনে এই যন্ত্রণা সহ্য করা যায় না। আর আমাদের সেই অবস্থায় নয়,যে বাবাকে কোনো নার্সিংহোমে ভর্তি করাবো।"

আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এখানে এত বেশি রোগীর চাপ, সেই কারণে আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই ভর্তি করা হচ্ছে। তবে আশঙ্কাজনক রোগীদের ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে ব্যাতিক্রম আছে। তাদের ভর্তি জরুরী ভিত্তিতে করা হয়। তবে এই রোগীর ক্ষেত্রে কি হয়েছে,সেই বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ABHIJIT CHANDA

Published by: Debalina Datta
First published: November 24, 2020, 5:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर