বিপ্লবী ভবানীপ্রসাদের মূর্তি বসছে ভবানী ভবনে, এখন পরিবারের অনুমোদনের অপেক্ষা

বিপ্লবী ভবানীপ্রসাদের মূর্তি বসছে ভবানী ভবনে, এখন পরিবারের অনুমোদনের অপেক্ষা

এই অয়েল পেইন্টিঙের সামনে দাঁড়িয়ে সেদিন কেঁদেছিলেন নব্বই বছরের লীলাবতী দেবী।

  • Share this:

#কলকাতা: ছবি দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন। নব্বই ছুঁই ছুঁই বৃদ্ধার স্মৃতিতে তখন ভাসছিল তার ছ'বছর বয়সে দেখা একটা মুখ। সেই হাসি। সেই অবয়ব। ফিরে ফিরে আসছিল স্মৃতিতে। সেটা ২০১৩ সাল। কথা বলে জানা গেছিল ওই ছবি তার মামার। তার নামেই নামকরণ ওই সরকারি বাড়ির। ভবানী ভবন। এখন পরিবারের অনুমোদনের অপেক্ষা ভবানীপ্রসাদের মূর্তি।

এই অয়েল পেইন্টিঙের সামনে দাঁড়িয়ে সেদিন কেঁদেছিলেন নব্বই বছরের লীলাবতী দেবী। ছ'বছর আগে কলকাতায় ঘুরতে এসে হঠাত মামার সঙ্গে দেখা। ভবানী ভবনে। তিনি তখন নব্বই ছুঁই ছুঁই। চোখের জল আর বাঁধ মানেনি।

কোন ছোটবেলায় শেষবার দেখা। তখন তিনি ক্লাস ওয়ান কিম্বা টু । এখন আর মনে পড়ে না। শুধু মনে আছে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে সেজমামা এসেছিলেন। আর ভাগ্নির কাছে চেয়েছিলেন তার বই রাখার ছোট বাক্সটা।

এরপরের কথা আর মনে নেই। আর কোনদিন ফেরেননি মামা ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য। বড়লাট অ্যান্ডারসনকে গুলি করে ফাঁসি হয়েছিল তাঁর। গ্রাফিক্স ইনঃ ৩রা ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫ গ্রাফিক্স আউটঃ

ফাল্গুনী ঘোষালই ভবানীপ্রাসাদের পরিবারের হয়ে আবেদন জানান সরকারকে। যার নামে ভবানী ভবনের নামকরণ ১৯৬৯ সালে। সেই ভবানীপ্রসাদের একটা মূর্তি স্থাপন করুক সরকার।

তাম্রপত্র, সরকারি অনুদান কিচ্ছু চাননি। সরকারি আধিকারিকের সে প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছেন। একমাত্র দাবি বিপ্লবী ভবানীপ্রসাদের একটা মূর্তি বসুক ভবানী ভবনে। রাজি হয়েছেন, কলকাতার মহা নাগরিক। দায়িত্ব দিয়েছিলেন পার্ক ও উদ্যান বিভাগকে। তৈরি হচ্ছে মূর্তি।

কেবলমাত্র একটাই অনুরোধ জানিয়েছেন বছর ছিয়ানব্বইয়ের লীলাবতী। ভবানীভবনে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মূর্তি উদ্বোধনের দিন উনি প্রথম মালা দেবেন। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভবানীপ্রসাদকে নয়, সেজমামা ভবানীকে।

First published: 11:04:45 PM Sep 14, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर