• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • শহরের রেস্তোরাঁয় দুর্দান্ত অফার, বাবা-মাকে সঙ্গে আনলেই বিলে মিলবে বড় ছাড়

শহরের রেস্তোরাঁয় দুর্দান্ত অফার, বাবা-মাকে সঙ্গে আনলেই বিলে মিলবে বড় ছাড়

মধ্যাহ্নভোজে সঙ্গে নিন বাবা-মাকে।ফুড বিলে পেয়ে যান আকর্ষণীয় ছাড়।অভিনব ভাবনার শরিক শহুরে রেস্তোরা।

মধ্যাহ্নভোজে সঙ্গে নিন বাবা-মাকে।ফুড বিলে পেয়ে যান আকর্ষণীয় ছাড়।অভিনব ভাবনার শরিক শহুরে রেস্তোরা।

মধ্যাহ্নভোজে সঙ্গে নিন বাবা-মাকে।ফুড বিলে পেয়ে যান আকর্ষণীয় ছাড়।অভিনব ভাবনার শরিক শহুরে রেস্তোরা।

  • Share this:
 #কলকাতা: "মেরে পাশ মা হ‍্যায়...।"এই একটা ডায়লগেই আসমুদ্র হিমাচলের মন জিতে নিয়েছেন। বলিউডে অমর হয়ে আছেন 'দিওয়ার'-এর রবি ভার্মা অর্থাৎ শশী কাপুর।ভারতীয়রা বরাবরই মায়ের প্রতি একটু বেশি-ই দুর্বল। জন্ম থেকে কৈশোর কিংবা তারও পরে সন্তানকে স্নেহ, ভালোবাসায় আগলে রাখেন মা-বাবা। অথচ অনেক সময়ই সন্তানদের ক্ষেত্রে মা-বাবার জন্য সেই টান-ভালোবাসাটা সমান্তরালভাবে বজায় থাকে না। বন্ধুবান্ধব, স্ত্রী, পরিবার আর কর্মব্যস্ততার নিজস্ব গণ্ডিতে জায়গা হয় না সন্তানকে দুধে ভাতে বড় করা বাবা-মার। সমাজের আনাচে-কানাচে হরদম বাবা-মার প্রতি সন্তানের উপেক্ষা কোথাও গিয়ে নাড়া দিয়েছিল টলিগঞ্জ-করুণাময়ীর সুদীপ দে-কে। পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী। টালিগঞ্জ করুণাময়ী অঞ্চলে দু-দুটো রেস্তোরাঁর মালিক। আশির দশকে ফুটবলটাও খেলেছেন। আশির দশকে এরিয়ানে খেলার সময়ে দুর্ঘটনা। খেলাটা তারপর আর হয়নি। তারপর হোটেল ব্যবসায় চলে আসা। দক্ষিণ কলকাতার বিএল শাহ রোড ও টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপোর কাছে রেস্তোরাঁর ব্যবসায় নেমে পড়া। তখন থেকেই মাথায় ঘুরছিল ব্যবসার সঙ্গে যদি সমাজকল্যাণমূলক কিছু করা যায়! বছর আট-নয় আগে নিজের বাবা-মাকে হারান। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন সুদীপ দে। সুদীপবাবুর নিজের কথায়, "আশেপাশের বয়স্কদের মধ্যে তখন থেকে নিজের বাবা-মাকে খুজতাম। কোন সন্তান বাবা-মাকে অবহেলা করলে মনে মনে কষ্ট পেতাম। আবার কেউ তার বাবা মার যত্নআত্তি করলে মনটা খুশিতে ভরে যেত। এইসব দেখতে দেখতেই নিজের হোটেল-রেস্তোরাঁয় এই অভিনব ভাবনার প্রয়োগ।" বিএল শাহ রোড ও টালিগঞ্জ ট্রামডিপো কাছে চায়না টাউন। এখানে বাবা-মা কে সঙ্গী করে মধ্যাহ্নভোজ  সারতে এলেই মিলবে নগদ  কুড়ি শতাংশ ছাড়। আর খাবার পরে উপরি পাওনা বয়স্কদের জন্য চমকে ভরা, চোখ ধাঁধানো উপহার। প্রাক্তন ফুটবলার সুদীপ বলছিলেন, "চায়না টাউনে এই স্কিম চালু হওয়ার পর রেস্তোরাঁর খাবার বিক্রি অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। শুধু দক্ষিণ কলকাতা নয়, দূর দূর থেকে সবাই বাবা-মাকে নিয়ে খেতে আসছে। আর ফেরার সময় মিলছে বয়স্কদের আশির্বাদ। বাবা-মার বয়সীদের এই আশির্বাদটাই তো পেতে চেয়েছিলাম।"  টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো ও বিএল শাহ রোডের ওপর চায়না টাউন এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে। ছুটির দিন হোক কিংবা উৎসব-পার্বণ। বাবা-মাকে নিয়ে সপরিবারে খাওয়ার গন্তব্য চায়নাটাউন। নুডুলস, রাইস, স‍্যুপ, মোমো সব পাবেন। কব্জি ডুবিয়ে খানাপিনা। সঙ্গে বিলের ওপর কুড়ি শতাংশ ছাড়। আর সব শেষে অবশ্যই বয়স্ক বাবা-মার ঠোঁটের কোনায় লেগে থাকা এক চিলতে অকৃত্রিম হাসি আর মনের উঠোনে তৃপ্তির ঝিকিমিকি।এটাই তো বড় পাওনা। বাবা-মায়েদের খুশি আর আশীর্বাদ পাথেয় করেই এগিয়ে চলক 'চায়না টাউন'। শুভেচ্ছা রইল আমাদেরও। PARADIP GHOSH
Published by:Elina Datta
First published: